স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আমফান ত্রাণ দুর্নীতিতে যুক্তদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা রাজ্য সরকারকে জানাতে হবে। এমনই দাবি রাজ্য বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা রাহুল সিনহার।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর দাবি, ”যারা ইতিমধ্যেই বেআইনিভাবে ত্রাণ পেয়ে ফেরত দিয়েছে, তাদের নামের তালিকা ও তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা সরকারকে জানাতে হবে।”

শনিবার খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন, ত্রাণ দুর্নীতিতে যেই জড়িত থাকবে তাকেই কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এক্ষেত্রে কেউ পার পাবে না।

ত্রাণ নিয়ে কোনও দলবাজি তিনি মানবেন না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “আমফানের ত্রাণ নিয়ে স্বজনপোষণ হলে কড়া পদক্ষেপ করবে প্রশাসন।” এই মর্মে বিডিও ও জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ত্রাণের টাকা দেওয়া নিয়ে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতি আটকাতে পঞ্চায়েত স্তরে কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সাতদিনের মধ্যে কমিটির প্রতিনিধিদের সঠিক তালিকা তৈরি করে নবান্নে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকায় স্বজনপোষন করা হলে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ নিয়ে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতি রুখতে দলীয়ভাবেও কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। দলের সভাপতিদের গত বৃহস্পতিবার সাফ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়ে দিয়েছে, আমফানের ত্রাণ নিয়ে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই প্রথমে শোকজ করা হবে। তারপর দলীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। দরকারে বহিষ্কার।

দলীয় নির্দেশ পাওয়ার পরই বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল এদিন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। রেশনে ত্রাণসামগ্রী বণ্টন ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করার অভিযোগে বিষ্ণুপুর পুরসভার পুরপ্রধান তথা বিষ্ণুপুর ব্লক সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং দলের আরও দুই নেতাকে শোকজ করেছে বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল। তাঁদের বিরুদ্ধে দলীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষ্ণুপুর ব্লক সভাপতির পাশাপাশি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে তালড্যাংরার তাপস সুর ও পাত্রসায়ের ব্লকের নেতা বাবলু সিংকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ