ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে সরব হওয়ায় বাংলার বুদ্ধিজীবীদের তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তিনি বললেন, ”এরা কেউ বুদ্ধিজীবী নয়, এরা আসলে আল্লাহজীবী।”

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে শুক্রবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় বিক্ষোভ, রেল-সড়ক অবরোধ চলছে৷ এদিন দুপুর থেকে অশান্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়ার উলুবেড়িয়া, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-সহ রাজ্যের বেশ কিছু অঞ্চল। বিক্ষোভের আঁচ পড়ে খাস কলকাতাতেও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন বার্তা দিয়েছেন, কেউ যেন আইন নিজের হাতে না তুলে নেন। সে ক্ষেত্রে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নেবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু শনিবারও রাজ্যে এই একই পরিস্থিতি ছিল৷ নাগরকিত্ব আইনের প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ হোক, মূলত এই বার্তা দিতেই শনিবার প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন আবুল বাশার, জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার ও শুভাপ্রসন্নরা। বিক্ষোভকারীদের অশান্তি ছেড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনে ভরসা রাখার আহ্বান করেছেন তাঁরা৷

এরপরই ঝাঁঝালো আক্রমণ করে বিজেপির জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন ”এরা একপেশে বুদ্ধিজীবী, এরা আসলে আল্লাহজীবি। এদের কেউ পাত্তা দেয় না। সিপিএম আমলে এরা সিপিএম , টিএমসি আমলে টিএমসি, আবার বিজেপি আসলে বিজেপির পেছনে ঘুরে বেড়াবে। এদের কথায় আর কোনও দাম দেন না বাংলা মানুষ।”

মুখ্যমন্ত্রীর উপরে ভরসা রাখার আবেদন জানিয়ে জয় গোস্বামী বলেন,”আমাদের প্রতিবাদ সুশৃঙ্খল হওয়া দরকার। শান্ত ও দৃঢ়ভাবে প্রতিবাদ পরিচালিত হয়। বাংলায় এমন একজন পথপ্রদর্শক আছেন। তিনি উশৃঙ্খল হতে দেবেন না। মমতার নেতৃত্বে আন্দোলন জারি থাকবে। বিজেপি সরকারের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করছি। বাংলার মানুষ বিভ্রান্ত হবেন না। বিদ্বেষের বিষ ছড়াবেন না। এটাকে আমরা একত্র হয়ে প্রতিরোধ করতে পারব।” চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্নর কথায়,”মানুষ সত্যিই হতাশায় ভুগছেন। তাঁর বিপরীতে কিছু মানুষ হয়তো ধ্বংসলীলার মধ্যে দিয়ে প্রকৃত আন্দোলন ভাঙার চেষ্টা করছেন।” কবি সুবোধ সরকারের বলেন,”৬ জন মুখ্যমন্ত্রী না বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বাংলায় এনআরসি হতে দেবেন না। বাংলা থেকে অধিকাররক্ষার বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে।”

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও