কলকাতা: চলতি বিধানসভা নির্বাচনে এই প্রথম বাংলায় ভোটের প্রচারে রাহুল গান্ধী। বুধবার পঞ্চম দফার ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিনে রাজ্যে সোনিয়া-তনয়। আজ উত্তর গোয়ালপোখর ও মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে নির্বাচনী প্রচার সারবেন রাহুল। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে দলের হয়ে কেন প্রচারে আসছেন না রাহুল? এনিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যা অস্বস্তি বাড়ায় প্রদেশ কংগ্রেসের নেতাদের। তবে শেষমেশ রাহুল নিজেই রাজ্যে প্রচারে আসার ব্যাপারে ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। সেই মতো তাঁর সভার দিনক্ষণ স্থির করে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

কেরলে ভোটের পরেই বঙ্গ প্রচারে আসার কথা ছিল রাহুল গান্ধীর। কিন্তু ৬ এপ্রিল কেরলে বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেলেও তারপর থেকে বাংলায় পা রাখেননি সোনিয়া-তনয়। যা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের নেতাদের অস্বস্তি বাড়তে থাকে। রাহুল অন্য রাজ্যে প্রচারে গেলেও কেন বাংলায় এলেন না এই প্রশ্নে অস্বস্তিতে পড়তে থাকেন দলের প্রদেশ নেতারা। গান্ধী পরিবারের কাউকেই এবার বাংলার ভোটে প্রচারে আসতে দেখা যায়নি। স্বামী রবার্ট বঢরা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে হোম আইসোলেশনে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তাই তাঁর এবার আর বঙ্গ ভোটে প্রচারে আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

তবে রাহুল গান্ধী আগামী চার দফার ভোটেই রাজ্যে প্রচার করবেন বলে জানা গিয়েছে। আজ থেকেই রাজ্যে সভা শুরু রাহুলের। প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল গান্ধীর সভায় কংগ্রেস নেতাদের পাশাপাশি বাম নেতৃত্বকেও দেখা যাবে। বিধানসভা ভোটে বাম ও আব্বাসের দলের সঙ্গে জোট করে লড়াইয়ের ময়দানে কংগ্রেস। বামেদের সঙ্গে জোট পাকা হলেও শুরুতে আব্বাস সিদ্দিকীর আইএসএফ ISF S-এর সঙ্গে কথাবার্তা পাকা হয়নি কংগ্রেসের। পরবর্তী সময়ে বামেদের হস্তক্ষেপে আব্বাসের দলের সঙ্গেও সমঝোতা পাকা হয় কংগ্রেসের। জোট করেই এগোচ্ছে দুই দল। বিধানসভা ভোটে বাংলায় সাফল্য পাবে সংযুক্ত মোর্চা, আশাবাদী কংগ্রেস নেতারা।

বাংলার ভোট এবার আট দফায়। ইতিমধ্যেই রাজ্যে চার দফার নির্বাচন শেষ হয়েছে। পঞ্চম দফায় ৪৫টি আসনে ভোট হবে আগামী ১৭ এপ্রিল শনিবীর। ষষ্ঠ দফায় ভোট হবে ২২ এপ্রিল। সপ্তম দফায় ভোট গ্রহণ হবে ২৬ এপ্রিল ও অষ্টম তথা শেষ দফায় ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যেই ভোট গণনা ২ মে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.