নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষক বিক্ষোভের আঁচ লাগল লালকেল্লার আভিজাত্যে৷ ওড়ানো হল কৃষক আন্দোলনের পতাকা৷ প্রতিবাদী কৃষকদের মিছিল রুখতে চলল পুলিশের চাঠিচার্জ৷ ছোঁড়া হল জল কামান, কাঁদানে গ্যাস৷ আবার পুলিশকে পাল্টা অস্ত্র প্রদর্শন করল কয়েকজন কৃষক৷

সব মিলিয়ে রণক্ষেত্রের রূপ নিল রাজধানী দিল্লি৷ এর আগে আজ দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ বাধে বিদ্রোহী কৃষকদের৷ কিন্তু সংঘর্ষ কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না৷ কৃষকদের শান্ত থাকার আর্জি জানালেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী৷

পাশাপাশি এই তিন বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিও জানান তিনি৷ এদিন টুইট করে রাহুল বলেন, ‘‘হিংসা কোনও সমস্যার সমাধান নয়৷ কেউ আহত হলে ক্ষতি হলে আমাদের দেশের৷ দেশের স্বার্থের কথা ভেবে কৃষি আইন প্রত্যাহার করা উচিত৷’’

অন্যদিকে প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বিজেপি নেতা গৌতম গম্ভীর বলেন, ‘‘হিংসা, হানাহানি আমাদের সঠিক পথে পরিচালনা করে না৷ আমি সকলের কাছে শান্ত থাকার আর্জি জানাচ্ছি৷ চুক্তির প্রতি সম্মান রাখুন৷ আজ এমন বিশৃঙ্খলার দিন নয়৷’’

এদিন পুলিশ সিঙ্ঘু, তিকরি এবং ঘাজিপুর সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকদের নির্দিষ্ট রুট ধরে ট্রাক্টর ব়্যালি করার অনুমতি দিলেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি৷ রাজপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ শেষ হতেই শুরু হয় বিক্ষোভ৷ কথা ছিল কৃষকরা দিল্লির সীমান্তবর্তী অঞ্চলেই থাকবে, দিল্লির দিকে অগ্রসর হবে না৷

কিন্তু সেই কথা রাখা হয়নি৷ অতি গুরুত্বপূর্ণ আইটিও এলাকায় পুলিশকে কোনঠাসা করে এগিয়ে আসে বিক্ষোভকারীদের একাংশ৷ বাধা দিলে শুরু হয় হাতাহাতি। এক পর্যায়ে কৃষকরা ট্রাক্টর নিয়ে তেড়ে আসেন। শুরু হয় পাথর বৃষ্টি। আইটিও দিল্লির পুলিশ সদর দফতর।

ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনার পর টুইট করেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও৷ তিনি বলেন, ‘‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক৷ আমি প্রথম থেকেই কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করি৷ কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করাকে সমর্থন করি না৷ প্রজাতন্ত্র দিবসে তেরঙ্গা ছাড়া আর অন্য কোনও পতাকা উড়তে পারে না৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।