নয়াদিল্লি: কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবার ময়দানে নামল গেরুয়া শিবির৷ শনিবার বিজেপির তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, দশ বছরে কোন জাদুবলে রাহুল গান্ধীর সম্পত্তি সাড়ে নয় কোটি টাকা বেড়ে যায়? কংগ্রেসের তরফে এখনও অবধি বিজেপির অভিযোগের জবাব আসেনি৷

বিজেপি শিবির থেকে শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ এই নিয়ে মুখ খোলেন৷ ২০০৪, ২০০৯ ও ২০১৪ সালে কংগ্রেস সভাপতির মনোনয়ন পত্রে দাখিল করা সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘‘২০০৪ সালে রাহুল গান্ধী তাঁর মনোনয়নে সম্পত্তির পরিমাণ লেখেন ৫৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকা৷ ২০০৯ সালে সেটি হয় ২ কোটি টাকা৷ এবং শেষ লোকসভা ভোটের আগে রাহুল গান্ধীর সম্পত্তি ২ কোটি থেকে বেড়ে হয় ৯ কোটি টাকা৷’’ তাঁর প্রশ্ন, একজন সাংসদ হয়ে রাহুল গান্ধীর সম্পত্তি দশ বছরে ৫৫ লক্ষ থেকে বেড়ে ৯ কোটি টাকা হল কী করে? শ্লেষের সুরে তিনি বলেন, এটা আসলে রাহুল গান্ধীর উন্নয়ন মডেল৷

রাহুলকে বিঁধতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী টেনে আনেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও তাঁর স্বামী রবার্ট বঢরাকেও৷ তিনি জানান, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা দু’জনে ৪.৫ একর এলাকা জুড়ে থাকা ফার্ম হাউসের মালিক৷ সেই ফার্ম হাউস ফিনান্সিয়াল টেকনোলজিস অফ ইন্ডিয়া নামে একটি সংস্থাকে ভাড়ায় দেওয়া হয়েছে৷ ন্যাশনাল স্পট এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের একটি মামলায় এই কোম্পানি শোকজ খেয়ে বসে আছে৷

রবার্টকে নিয়ে কটাক্ষের সুরে রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘‘উন্নয়নের অনেক মডেল দেখেছি আমরা৷ বঢরা মডেল দেখেছি৷ যে মডেলে ৬-৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে দুই থেকে তিন বছরে ৭০০-৮০০ কোটি টাকার মালিক হওয়া যায়৷ এখন রাহুল মডেল দেখতে পাচ্ছি৷ তিনি একজন সাংসদ৷ সাংসদ হিসাবে তিনি যে মাইনে পান সেটাই তাঁর অর্থের উৎস হওয়া উচিত৷ এর বাইরে আর কোনও আর্থিক উৎসের কথা জানা নেই৷’’