পাটনা: লোকসভা নির্বাচনে প্রচার চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে বিতর্কে জড়ান রাহুল গান্ধী। কেন জানিনা সব চোরের পদবি ‘মোদী’ হয়? রাহুলের এমন মন্তব্যে মানহানির মামলা করেন বিহারের ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী। তার অভিযোগ ছিল, রাহুলের এমন মন্তব্যে মোদী পদবির মানুষদের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। অবশেষে শনিবার ওই মানহানির মামলায় জামিন পেলেন রাহুল।

উল্লেখ্য, এপ্রিলে জোর কদমে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার চালাচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী। এই সময়ই এক প্রচার সভায় হঠাৎ করেই তিনি বলে বসেন, “দেশ থেকে টাকা লুঠে পালিয়েছে ললিত মোদী, নীরব মোদী। কেন জানিনা সব চোরের পদবি ‘মোদী’ হয়?” রাহুলের এহেন বক্তব্যে ক্ষোভ ছড়ায় বিজেপির অন্দরে। বিতর্ক ছড়ায় প্রবল পরিমাণে। এমন মন্তব্যে মোদী পদবির মানুষদের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে অভিযোগ তুলে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকেছিলেন সুশীল মোদী। এদিন সেই মামলাতেই জামিন পেলেন রাহুল।

এই রায়ে রাহুলের পালটা মন্তব্য, যাঁরাই বিজেপি-আরএসএস-র বিরুদ্ধে কথা বলবেন, তাঁদেরকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হবে। এর আগে রাফাল মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রায় নিয়ে ‘বিতর্কিত মন্তব্য’ করে আদালতের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টে রায়ে চৌকিদার চোর প্রমাণিত। তবে, হলফনামা দিয়ে রাহুল নিঃশর্ত ক্ষমা চান আদালতের কাছে।

তবে, লোকসভা নির্বাচনে ‘চৌকিদার চোর’ বা ‘রাফাল’ নিয়ে রাহুল গান্ধী যে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন, ইভিএমে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। বিজেপি বিপুল জনমত নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসে। বিজেপি একাই পায় ৩০৩ টি আসন। অন্যদিকে, কংগ্রেস পায় মাত্র ৫২টি আসন। শোচনীয় পরাজয়ের দায় নিয়ে সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী।