নয়াদিল্লি: এই লোকসভা ভোটে কারোর নাম যদি জায়ান্ট কিলার হিসাবে উঠে আসতে পারে, নিঃসন্দেহে তিনি বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি৷

লোকসভা ভোটে দলের ভরাডুবি তো হয়েছে৷ সেই সঙ্গে নিজের দূর্গ হারান রাহুল৷ এদিন প্রেস কনফারেন্স করে সোনিয়া পুত্র আমেঠির রায় মেনে নেওয়ার কথা জানান৷ বলেন, ‘‘মানুষের রায় মেনে নিচ্ছি৷ স্মৃতি ইরানিকে ধন্যবাদ৷’’ আশা প্রকাশ করে জানান, স্মৃতি ইরানি আমেঠির জন্য ভালো কাজ করবেন৷ একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান৷

আমেঠিতে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে হারিয়ে দিলেন স্মৃতি ইরানি৷ খবরটি শুনে অনেকেরই পিলে চমকে গিয়েছে৷ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এই ফল নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে বসেছেন৷ উত্তরপ্রদেশের দুটি কেন্দ্র রায়বেরিলি ও আমেঠিকে কংগ্রেসের, বলা ভালো গান্ধী পরিবারের দূর্গ বলা হয়৷ স্বাধীনতার পর থেকে এই দুটি কেন্দ্রে জয়ের ধারা বজায় রেখেছে গান্ধী পরিবার৷ কিন্তু ২০১৯ এ ছন্দপতন৷

গত লোকসভা নির্বাচনেও উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের খারাপ ফলের মধ্যেও আমেঠি ও রায়বেরিলি ধরে রাখতে পেরেছিল হাত শিবির৷ এবারও সপা-বসপা’র মহাজোট এই দুটি কেন্দ্র কংগ্রেসকে ছেড়ে দেয়৷ তারা এই দুটি কেন্দ্রে কোনও প্রার্থী দেয়নি৷ তাস্বত্ত্বেও নিজের গড় ধরে রাখতে পারলেন না রাহুল৷ এই পরাজয়ের পর কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷ সূত্রের খবর, রাহুল নিজেও এই পদ ছেড়ে দিতে চাইছেন৷ সোনিয়া গান্ধী আগামী সপ্তাহে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক দিয়েছেন৷ তবে কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা এই খবরকে ভুয়ো বলে জানান৷