নয়াদিল্লি: আদ্যোপ্রান্ত একটা বেজায় শান্ত মানুষ হঠাত রেগে গিয়ে যদি হাত-পা ছুঁড়তে শুরু করেন তখন চেনা মানুষটাকে যেমন অচেনা লাগে, তেমনই নয়া অবতারে অনুরাগীদের কাছে অচেনা হয়ে ধরা দিলেন রাহুল দ্রাবিড়। না, তবে রিয়েল লাইফে রেগেমেগে যে এই ধ্রুপদী ব্যাটসম্যান হাত-পা ছুঁড়তে শুরু করেছেন ঠিক তা নয়। ক্রেডিট কার্ড অ্যাপ ক্রেডের নয়া একটি কমার্শিয়ালে রাহুল শারদ দ্রাবিড়কে দেখা গিয়েছে তাঁর ন্ম্র স্বভাবের বিরুদ্ধাচরণ করতে। আর এতেই হতবাক ক্রিকেটপ্রেমীরা।

ক্রেডের নয়া এই বিজ্ঞাপন মুক্তি পেয়েছে শুক্রবারই। ইউটিউবে প্রথম পাঁচ ঘন্টায় ৫৫ হাজারেরও বেশি মানুষ সেটি দেখে ফেলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নয়া বিজ্ঞাপনী অবতারে ভাইরাল ‘দ্য ওয়াল’। বিজ্ঞাপনটিতে ট্র্যাফিক সিগন্যালে আটকে থেকে বারবারই ক্রেডিট কার্ডের দেনায় জর্জরিত দ্রাবিড়কে মেজাজ হারাতে দেখা গিয়েছে। সিগন্যালে আটকে থাকা অবস্থায় চিৎকার করে রীতিমতো অন্যান্য পথচারীদের মাথাব্যথার কারণ হয়েছেন ওয়াল।

এখানেই শেষ নয়। ক্রিকেট ব্যাট বের করে সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা পাশের গাড়িটির সাইড-ভিউ মিররও ভাঙতে দেখা গিয়েছে দ্রাবিড়কে। হঠাতই ব্যাট হাতে আবার চিৎকার করে তিনি বলছেন, ‘ইন্দিরাগড়ের গুন্ডা আমি।’ তবে গোটাটাই বিজ্ঞাপনী প্রচারের তারনায়। যদিও আপাত শান্ত স্বভাবের দ্রাবিড় যে অভিনয়ের কারণেও এমন মেজাজ হারাতে পারে, তা হয়তো তাঁর অতিভক্তদেরও জানা ছিল না। সবমিলিয়ে ইন্দিরাগড়ের গুন্ডার অবতারে দ্রাবিড়কে দেখে হতবাক নেটাগরিকরা।

বিজ্ঞাপনটির বর্ণনায় দ্রাবিড় লিখেছেন, ‘হাই, আমি রাহুল দ্রাবিড় ভিডিওটির বর্ণনা লিখছি। মেজাজ হারিয়ে ফেলার জন্য আমি দুঃখিত। আমি সেজন্য ইদানিং যোগা করছি। যাইহোক, আমি আপনাদের বলতে চাই যে সঠিক সময়ে আপনি যদি আপনার ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটান তাহলে ক্রেড আপনাকে প্রত্যেক সময় পুরস্কৃত করবেই। ওরা খুব ভালো মানুষ।’

তবে কেবল অনুরাগীরাই নন, দ্রাবিড়ের অভিনয় মুগ্ধ করেছে বিরাট কোহলি, টি নটরাজনদেরও। বিজ্ঞাপনের কমেন্টে তাঁর একদা সতীর্থ কোহলি লিখেছেন, ‘রাহুল ভাইয়ের এই দিক কখনও দেখিনি।’ তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনটিতে সবচেয়ে মজার কমেন্ট করেছে ফুড ডেলিভারি সংস্থা জোম্যাটো। তারা লিখেছে, ‘ইন্দিরানগরে আজ খাবার ডেলিভারি করতে দেরি হতে পারে। কারণ সেখানকার রাস্তায় একজন গুন্ডার দেখা মিলেছে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.