বেঙ্গালুরু: করোনাভাইরাস মহামারীর জন্য ভারতীয় ক্রিকেট ইতিমধ্যেই পাঁচ মাস পিছিয়ে গিয়েছে৷ মার্চ মাস থেকে ঘর বন্দি ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড় মনে করেন, ভারতীয় ক্রিকেটে কোভিড-১৯ মহামারীর প্রকৃত প্রভাব অনুভূত হবে অক্টোবরে৷ অর্থাৎ যখন দেশে জুনিয়র ও মহিলা ক্রিকেটের ঘরোয়া মরশুম শুরু হবে।

করোনা সংক্রমণ রুখতে মার্চ মাস থেকেই দেশের মাটিতে ক্রিকেট বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই৷ অতিমহামারীর কারণে মার্চে ঘরের মাঠে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সৌরভ অ্যান্ড কোং৷ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয় আইপিএলও৷ দ্রাবিড়ের নেতৃত্বাধীন এনসিএ অর্থাৎ জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিও দেশব্যাপী লকডাউনের ফলে কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। এতে শত শত ঘরোয়া ক্রিকেটারের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ডেকান হেরাল্ডের আয়োজিত ওয়েবিনারে দ্রাবিড় বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত ভাগ্যবান হয়েছি (বিসিসিআই-এর ঘরোয়া মরশুমের শেষের দিকে অর্থাৎ মার্চ মাসে মহামারী শুরু হয়েছিল)৷ তবে অক্টোবরে এই জিনিসগুলি আমাদের মানসিক চাপে রাখতে পারে৷’

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট বাতিল এবং পুনরায় স্থাপন করা হয়েছে৷ লোকেরা সর্বদা এর জন্য সময় এবং স্থান খুঁজে পেতে পারে৷ তবে অক্টোবরে আমি মনে করি, এটি আমাদের উপর আরও আঘাত হানবে। পরের ঘরোয়া মরশুম শুরু হলে আমাদের প্রচুর তরুণ ঘরোয়া খেলোয়াড়, জুনিয়র, অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৯ এবং মহিলা ক্রিকেটাররা অক্টোবরে প্র্যাকটিস শুরু করবে৷’

গত সপ্তাহে আইপিএল শুরুর কথা ঘোষণা করেছে বিসিসিআই৷ তবে তা দেশের মাটিতে নয়, আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণ হবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে৷ আইপিএল ২০২০ শুরু হওয়ার কথা ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে৷ ফাইনাল হওয়ার কথা ৮ নভেম্বর৷ তারপরই কোহলি অ্যান্ড কোন অস্ট্রেলিয়া সফরে গেলেও দেশের মাটিতে শুরু হবে ঘরোয়া মরশুম৷

এ নিয়ে দ্রাবিড় বলেন, ‘যদি আমরা তখন থেকে স্বাভাবিকের পর্যায়ে ফিরে না আসতে পারি, তবে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে৷ আমরা আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট এবং ক্রিকেটের তৃণমূল স্তরে এর প্রকৃত প্রভাব দেখতে পাব। কারণ ২৩-২৪ বছর বয়সি কোনও ক্রিকেটারের চেয়ে এই বছরটি সম্ভবত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটারদের কাছে৷’

প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের মতে, বিসিসিআই কোনও টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চাইলে, তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার কারণ এই বছর পুরো ঘরোয়া মরশুমের খুব বেশি সম্ভাবনা নেই। ২০২০ সালের মধ্যে করোনা ভাইরাসের টিকা পাওয়া যাবে বলে ধরে নিয়ে ঘরোয়া মরশুমের সূচি উপস্থাপন করা যেতে পারে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ