বেঙ্গালুরু: রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিকে প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দিলেন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ডিরেক্টর রাহুল দ্রাবিড়।

বিসিসিআই আয়োজিত এক ওয়েবিনারে চলাকালীন এই পরামর্শ দেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক৷ বোর্ডের আয়োজিত এই ওয়েবিনরে যোগ দিয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার সচিব এবং ক্রিকেট অপারেশন প্রধানরা৷ ওয়েবিনারে দ্রাবিড় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআই-এনসিএ শিক্ষাবিষয়ক প্রধান সুজিথ সোমসুন্দর এবং ট্রেনার আশীষ কৌশিক৷

মূলত COVID-19 বিশ্বে ফিটনেস ডেটা সংগ্রহ এবং ফিটনেস প্রশিক্ষণ পুনরায় চালু করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলাকালীন দ্রাবিড় প্রশাসকদের বিভিন্ন পরিস্থিতি এবং সমস্যাগুলি মোকাবিলা করার উপায়গুলি সম্পর্কে আলোকপাত করেন দ্রাবিড়৷ ওয়েবিনারে যোগ দেওয়া এক রাজ্য সংস্থার সচিব সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেন, ‍‍‘রাহুল আলোচনায় একবারও বলেননি যে, প্রাক্তন ক্রিকেটারদের রাজ্য সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হোক। তবে পরামর্শ দেন, প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর৷ কারণ এদের মধ্যেই অনেক অভিজ্ঞ৷

তিনি আরও জানিয়েছেন, ‍‍‘রাহুলের মত, যদি রাজ্য সংস্থায় এ সব প্রাক্তন ক্রিকেটারদের যোগ করা হয়, তা হলে তাঁদের বিশেষ জ্ঞান কাজে লাগানো যাবে ক্রিকেটের প্রসারে। তাঁদের অভিজ্ঞতা নষ্ট হবে না।’

অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে দ্রাবিড়, কৌশিক এবং সোমসুন্দর ত্রয়ী বলেন, জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি এই পরিস্থিতিতে দু’টি পর্যায়ের প্রশিক্ষণ পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছে৷ তা হল ভার্চুয়াল এবং শারীরিক। তাঁদের মতে, ‘ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণ হবে এগিয়ে যাওয়ার পথ৷’ এই ত্রয়ীর বক্তব্য হল, ‍‘বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্য সংস্থাগুলোর পক্ষে ২৫-৩০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে অনুশীলন করানো সম্ভব। তা হবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ‍‘ভার্চুয়াল ট্রেনিং’৷ তা হবে ফিজিক্যাল ট্রেনার ও ফিজিয়োথেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধানে। সময় মতো কয়েক জনকে ধাপে ধাপে মাঠে নিয়ে গিয়ে শারীরচর্চা করানো যেতে পারে।’

আউটডোর ট্রেনিংয়ের ক্ষেত্রে ছোট ছোট গ্রুপ করে প্রশিক্ষণ শুরু করার পরামর্শই রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিকে দিয়েছে বোর্ড। কৌশিক কীভাবে শক্তি প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য থাকতে হবে সে সম্পর্কে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, স্কিল ট্রেনিং ও স্টেন্থ ট্রেনিংয়ের মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলতে হবে৷ একটি করার সময়ে অন্যটির অনুশীলন বেশি করা যাবে না। যেমন শক্তি বাড়ানোর অনুশীলনের সময় দক্ষতা বাড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া যাবে না।

রাজ্য সংস্থায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিজিওদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই এটা নিখুঁত ভাবে করা যেতে পারে বলেও মনে করে এনসিএ ট্রেনার৷ এটা ক্রিকেটারদের পুনর্বাসনেও সাহায্য করবে বলেও মনে করেন তিনি৷

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা