নয়াদিল্লি: দেশের বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণ এক উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে দেশবাসীর জন্যে। ভেঙে পড়েছে রাজ্যগুলির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। সর্বোপরি গোটা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এখন টালমাটাল অবস্থা। ডান্সার, কোরিওগ্রাফার, রিয়ালিটি শো হোস্ট রাঘব জুয়াল (Raghav Juyal) নিজের বাসভূমি উত্তরাখণ্ডের জন্যে সাহায্য প্রার্থনা করে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। করোনা মহামারীর জেরে উত্তরাখণ্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় রাঘব একটি ভিডিওর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অন্যান্য রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করেছেন উত্তরাখণ্ডকে সাহায্য করার জন্যে।

এদিন রাঘব ভিডিওতে জানিয়েছেন, পাহাড়ি রাজ্য উত্তরাখণ্ড মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ করোনা মহামারীর দাপটে। ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দা, তরুণ ছেলে মেয়েরা এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই কঠিন সময়ে উত্তরাখণ্ডের মানুষদের মেডিকেল সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার জন্যে। করোনা রোগীদের জন্যে হাসপাতালের বেড, অক্সিজেন জোগাড় করতে উঠে পড়ে লেগেছে তারা। কিন্তু এখন নিজেরাই অসহায় হয়ে পড়েছে। কারণ ওদের কাছে জোগান দেওয়ার মত সরঞ্জাম ফুরিয়েছে। হাসপাতাল গুলিতে আইসিইউ, ভেন্টিলেটর, বেড, অক্সিজেন কোন কিছুই নেই।

এই ভিডিওতে রাঘব হাত জোড় করে বার বার দেশের সরকার, বিভিন্ন সংস্থা, অন্যান্য রাজ্য প্রত্যেকের কাছে সাহায্য চেয়েছেন। ভিডিওতে তাকে বারংবার বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আপনাদের সাহায্যের প্রয়োজন উত্তরাখণ্ডের’। তিনি বলেছেন, এই কঠিন সময়ে আমাদের উচিৎ সকলের পাশে দাঁড়ানো। সরকার এবং জনগন একসঙ্গে মিলে মোকাবিলা করলে তবেই করোনা যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব।

ভিডিওর ক্যাপশনে রাঘব লিখেছেন, ‘#Pleasehelputtarakhand PLEASE SAVE UTTARAKHAND. Please save us. Our state is collapsing and we are calling for a nation wide help! TO ALL GOVT. TO ALL ORGANIsATIONS! EVERYONE…’

ইনস্টাগ্রামের এই ভিডিওতে রাঘব ট্যাগ করেছেন বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ এবং সোনুর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে। যারা এই করোনা যুদ্ধে ক্রমাগত সাহায্য করে আসছেন। এছাড়াও ট্যাগ করেছেন Khalsa Aid India এবং Hemkunt Foundation এর মত বিভিন্ন অলাভজনক সংস্থাকে। বিজেপি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদীকেও ট্যাগ করেছেন এই ভিডিও বার্তায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.