বিশেষ প্রতিবেদন: যুক্তিবাদী লেখক অভিজিৎ রায় হত্যার মামলায় ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী আদালত খুনিদের ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে। এই রায়ে সন্তুষ্ট নন অভিজিতের স্ত্রী রফিদা আহমেদ বন্যা। ধর্মীয় মৌলবাদ রুখতে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকায় তিনি সন্তুষ্ট নন বলেই বিবৃতি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়ের পর রফিদা বন্যা কী বলবেন? এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে অধীর প্রতীক্ষা ছিল। অবশেষে বিবৃতি দিলেন মৌলবাদীদের হাতে খুন হওয়া অভিজিৎ রায়ের স্ত্রী। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি লিখেছেন-

“আদালত রায় দিয়েছে। তারা বিচার করেছে, অভিজিৎ তার বিজ্ঞান নিয়ে ব্লগ, দর্শন কিংবা ধর্মের জন্য হত্যা করা হয়েছে, কী হয়নি। তবে এটা আমার কিংবা আমাদের পরিবারের জন্য শেষ কথা নয়, আর তা আমি মোটেই ভাবিনি।”

বিজ্ঞান লেখক, ব্লগার অভিজিৎ হত্যা মামলায় মঙ্গলবার আদালতের দেওয়া রায়ে জঙ্গি নেতা জিয়াউল হক জিয়াসহ আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের পাঁচ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং কট্টরপন্থী ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার অমর একুশ গ্রন্থমেলার বাইরে মার্কিন-বাংলাদেশি যুক্তিবাদী লেখক অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে খুন করে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) জঙ্গিরা। সেদিন জঙ্গিদের হাতে আক্রান্ত হন রফিদা আহমেদ বন্যা। মারাত্মক জখম হন। কোনওরকমে বেঁচে যান।

রায় ঘোষণার পর ফেসবুকে তিনি লিখেছেন,কেবল গুটিকয়েক চুনোপুঁটির বিচার করে এবং উগ্রবাদের উত্থান ও এর শিকড় উপেক্ষা করার মাধ্যমে অভিজিতের হত্যা এবং এর আগে ও পরে একের পর এক ‘ব্লগার, প্রকাশক এবং সমকামীদের’ হত্যার ন্যায়বিচার হয় না।

মামলার তদন্ত নিয়ে আগেও সরব হয়েছেন, রায় ঘোষণার পর তিনি ফের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রফিদা বন্যা। তদন্তকারীদের কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ না করার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেছেন, “অথচ আমিই এই হামলার প্রত্যক্ষদর্শী এবং এতে ক্ষতিগ্রস্ত।”

বাংলাদেশ সেনা থেকে বরখাস্ত এবিটি জঙ্গিদের কমান্ডার মেজর জিয়ার গ্রেফতার না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কট্টরপন্থীদের প্রতি নমনীয় হওয়ার অভিযোগ তুলে বন্যা লিখেছেন, নির্দেশ পালনকারী কয়েকজন খুনির বিচার করে আর উগ্রবাদের প্রসারকে উপেক্ষা করে শুধু অভিজিৎ হত্যাই নয়, এই ধরনের অন্য সব হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় না। “এই কারণে এই রায় আমার কিংবা আমার পরিবারের মনে শান্তি আনতে পারেনি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।