নয়াদিল্লি: রাফায়েল মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড়৷ রাফায়েল যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত গোপন কিছু নথি চুরি হয়ে গিয়েছে৷ সুপ্রিম কোর্টকে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি কেন্দ্রীয় সরকারের৷ এরপরই প্রশ্ন উঠছে রাফায়েলের মতো গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিমানের চুক্তির নথি ঠিক করে সংরক্ষণ করতে না পারা কি সরকারের ব্যর্থতা নয়?

গত বছর ১৪ ডিসেম্বর রাফায়েল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টর রায় পুর্নবিবেচনা করতে একাধিক পিটিশন জমা পড়ে৷ বুধবার প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সেই পিটিশনের শুনানি হয়৷ সেই সময় অ্যার্টনি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল সবাইকে চমকে বলে ওঠেন, ‘‘প্রতিরক্ষামন্ত্রক থেকে কেউ কিছু নথি সরিয়েছে৷’’

তার কিছু আগে পিটিশনার প্রশান্ত ভূষাণ আদালতের কাছে আট পাতার একটি নোট পেশ করতে যান৷ তাঁকে বাধা দেন অ্যার্টনি জেনারেল৷ তিনি তখন বলেন, ‘‘ওই নোট প্রতিরক্ষামন্ত্রক থেকে চুরি গিয়েছে৷ তার ফলে তদন্ত মাঝপথে থমকে গিয়েছে৷’’

এখানেই থেমে থাকেননি অ্যার্টনি জেনারেল৷ বেণুগোপাল জানান, এই চুক্তির সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িয়ে৷ তিনি বলেন, অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টের আওতায় নথি চুরি ও ফাঁস করে দেওয়া গুরুতর অপরাধ৷ যে দুটি খবরের কাগজ রিপোর্ট পেশ করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত৷৷

যদিও প্রশান্ত ভূষণ জানান, আদালতের কাছে জটিল কিছু তথ্য চেপে গিয়েছে কেন্দ্র৷ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছে৷ মুখবদ্ধ খামে আদালতের কাছে সেই তথ্য তুলে দেওয়ার কথা ছিল সরকারের৷ মোদী সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছে চুরি কথা নথির উপর পেশ করা সব রিভিউ পিটিশন যেন খারিজ করা হয়৷ শুনানি এখন স্থগিত রাখা হয়েছে৷