প্যারিস: মঞ্চ প্রস্তুত ছিল। আর সেই মঞ্চেই সম্ভবত করোনা আক্রান্ত বছরে খেলার দুনিয়ার সেরা মুহূর্তটি উপহার দিলেন রাফায়েল নাদাল। ১৩তম ফরাসি ওপেন জিতে সর্বাধিক গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের নিরিখে বন্ধু রজার ফেডেরারের রেকর্ড ছুঁলেন স্প্যানিশ মায়েস্ত্রো। সার্বিয়ান নোভাক জকোভিচকে স্ট্রেট সেটে একপ্রকার উড়িয়ে দিয়ে ২০১৬ ফাইনালে হারের বদলা তো নিলেনই, একইসঙ্গে ২০তম মেজর জিতে নাদাল ফেডেক্সের সঙ্গে বসে পড়লেন একাসনে।

সাম্প্রতিক সময়ে টেনিস সার্কিটের সবচেয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীকে কোনওরকম সুযোগ না দিয়েই আবারও লাল-সুড়কির কোর্টে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন স্প্যানিয়ার্ড। একইসঙ্গে ফরাসি ওপেনে তুলে নিলেন রেকর্ড শততম জয়। এই খেতাব জয়ের সঙ্গে মার্গারেট কোর্ট (২৪), সেরেনা উইলিয়ামস (২৩), রজার ফেডেরারের (২০) পর চতুর্থ টেনিস তারকা হিসেবে ২০টি মেজর ক্লাবের সদস্য হলেন রাফা। এদিন ম্যাচের ফলাফল দেখেই পরিষ্কার সার্বিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে কতোটা নির্মম ছিলেন স্প্যানিয়ার্ড। নাদালের পক্ষে ম্যাচের ফল ৬-০, ৬-২, ৭-৫।

এদিন মাত্র ৪৫ মিনিটে ১০টি উইনার সহযোগে প্রথম সেট নিজের নামে করে নেন রাফা। নাদালের ব্যাকহ্যান্ড উইনার কিংবা ফোরহ্যান্ড, কোনও কিছুরই উত্তর ছিল না জকোভিচের কাছে। দ্বিতীয় সেটে নিজের সার্ভিস কাজে লাগিয়ে দু’টি গেম আদায় করেন জকোভিচ। কিন্তু নাদালকে প্রত্যাঘাত ছুঁড়ে দেওয়ার কোনও সুযোগ দ্বিতীয় সেটেও পাননি ২০১৬ ফরাসি ওপেন বিজয়ী। এক ঘন্টার কিছু কম সময়ে ৬-২ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেটও ঝুলিতে ভরে নেন রাফায়েল নাদাল। রোলা গ্যারোঁ ফাইনালে অন্যতম দাপুটে জয়ের সাক্ষী হতে চলা নাদালকে তৃতীয় সেটে কিছুটা লড়াই ছুঁড়ে দেন জকোভিচ।

তৃতীয় সেটে একটা দারুণ প্রত্যাঘাত ছুঁড়ে দিয়ে ৫-৪ ব্যবধানে এগিয়ে যান সার্বিয়ান তারকা। কিন্তু এদিন নাদালের কাছে কোনওকিছুই যে অসম্ভব ছিল না। পিছিয়ে পড়ে দাপটের সঙ্গে টানা তিনটি গেম টানা জিতে নিয়ে র‍্যাপ-আপ করেন স্প্যানিশ কিংবদন্তি। ২০১২ রোলা গ্যারোঁ ফাইনালে রজার ফেডেরারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে দাপুটে জয়টা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নাদাল। সেবার রাফার পক্ষে ম্যাচের ফল ছিল ৬-১, ৬-৩, ৬-০।

ম্যাচ শেষে বন্ধু নাদালকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেডেরার লেখেন, ‘আমরা বিভিন্ন সময় একে অপরকে টেক্কা দিয়ে সেরা হওয়ার লড়াইয়ে মেতেছি। তাই আজ নাদালকে তাঁর ২০তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের জন্য অভিনন্দন জানানোটা আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।