প্যারিস: প্রত্যাশামতোই ফরাসি ওপেনের ফাইনালে পৌঁছলেন রাফায়েল নাদাল। রবিবাসরীয় ফাইনালে নোভাক জকোভিচ এবং স্টেফানোস সিৎসিপাসের মধ্যে বিজয়ীর মুখোমুখি হবেন তিনি। যেখানে স্প্যানিশ কিংবদন্তির কাছে সুযোগ থাকছে কেরিয়ারের ২০তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে রজার ফেডেরারকে স্পর্শ করার। শুধু তাই নয় ফাইনাল জিতে খেতাব ঘরে তুলতে পারলে সেটা হবে ফরাসি ওপেনে নাদালের ১০০তম ম্যাচ জয়।

আর্জেন্তিনার দিয়েগো সোয়ার্তজম্যানের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততে খুব একটা কসরত করতে হল না নাদালকে। স্ট্রেট সেটে জিতেই ১৩ বারের জন্য ফরাসি ওপেনের ফাইনালে পৌঁছে গেলেন টুর্নামেন্টে ১২ বারের বিজয়ী। নাদালের পক্ষে প্রথম সেমিফাইনালের ফল ৬-৩, ৬-৩, ৭-৬ (৭-০)। উল্লেখ্য, গত মাসে রোমে এই আর্জেন্তাইন প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারতে হয়েছিল স্প্যানিয়ার্ডকে। তাই এদিন ম্যাচ জিতে নাদাল জানালেন, ‘এখানে খেলার অনুভূতি বরাবরই দারুণ। এই মুহূর্তটা ভীষণ স্পেশাল আমার জন্য।’

নাদাল আরও বলেন, ‘শেষ হওয়ার আগে অবধি ম্যাচটা কঠিন ছিল। তবে এটা আমার জন্য একটা ইতিবাচক ফলাফল। প্রথম সেটে ৬৪ মিনিটের ম্যারাথন লড়াইয়ের পর নাদালের কাছে নতিস্বীকার করেন সোয়ার্তজম্যান। দ্বিতীয় সেটেও খুব বেশি লড়াই ছুঁড়ে দিতে পারেননি বছর আঠাশের আর্জেন্তাইন। প্রথম সেটের পর দ্বিতীয় সেটেও ৬-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেন নাদাল। তবে তৃতীয় সেটে গিয়ে একসময় লড়াইটা কঠিন হয়ে যায় ৩৪তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম সেমিফাইনাল খেলতে নামা নাদালের জন্য।

তৃতীয় সেটে জোড়া ব্রেক পয়েন্ট তুলে নিয়ে নাদালকে কড়া টক্কর ছুঁড়ে দেন সোয়ার্তজম্যান। ৫-৫ দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় আরও একবার ব্রেক পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার উপক্রম করেছিলেন আর্জেন্তাইন। কিন্তু জোড়া ফোরহ্যান্ড উইনার এবং একটি ভলি উইনারে ৬-৫ এগিয়ে যান নাদাল। যদিও শেষ অবধি টাইব্রেকারে তৃতীয় সেট নিয়ে যান আর্জেন্তাইন। তবে টাইব্রেকারে কোনওরকম সুযোগ সোয়ের্তজম্যানকে দেননি রাফা।

প্রতিদ্বন্দ্বীকে কার্যত দাঁড় করিয়ে ৭-০ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে নেন রাফা। সেইসঙ্গে ১৩ বারের জন্য রোলা গ্যারোঁর প্রিয় ক্লে-কোর্টে ফাইনাল খেলা নিশ্চিত করেন স্প্যানিশ মায়েস্ত্রো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।