প্যারিস: তিনি আধুনিক টেনিসের কিংবদন্তি, ক্লে-কোর্টের অবিসংবাদী নায়ক। গত মাসেই ফরাসি ওপেনে ত্রয়োদশ খেতাব জিতে সর্বাধিক মেজর জয়ের নিরিখে ছুঁয়ে ফেলেছেন রজার ফেডেরারকে। আর মাস ঘোরার আগেই রাফায়েল নাদালের মুকুটে নয়া পালক। কেরিয়ারে সহস্রতম সিঙ্গলস ম্যাচ জিতে আরও এলিট ক্লাবে প্রবেশ করলেন ২০টি মেজরের মালিক। টেনিসের ওপেন এরায় চতুর্থ প্লেয়ার হিসেবে এই নজির স্পর্শ করলেন স্প্যানিয়ার্ড।

রোলেক্স প্যারিস মাস্টার্স টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডে জয় দিয়ে এই নজির ছুঁলেন স্প্যনিশ টেনিস মায়েস্ত্রো। বুধবার স্বদেশী ফেলিসিয়ানো লোপেজকে নাদাল হারালেন ৪-৬, ৭-৬ (৫), ৬-৪ ব্যবধানে। একইসঙ্গে কেরিয়ারে ১০০০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ছুঁয়ে রাফা বসে পড়লেন জিমি কোনর্স, রজার ফেডেরার এবং ইভাল লেন্ডলের সঙ্গে একাসনে। নজির ছুঁয়ে এদিন ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে আবেগ ঝরে পড়ে নাদালের গলায়।

নাদাল বলেন, ‘১০০০ ম্যাচ জয়ের নজির স্পর্শ করার একটা খারাপ দিক হল আমি উপলব্ধি করতে পারছি যে আমি বুড়ো হয়ে গিয়েছি। কারণ ১০০০ ম্যাচ জিততে গেলে ভীষণ লম্বা একটা কেরিয়ার প্রয়োজন। আর আমিও কেরিয়ারে লম্বা একটা সময় পেরিয়ে এসেছি। যদিও এমন কিছু সংখ্যা অর্জন করার জন্যই আমি কেরিয়ারে দীর্ঘ বছর ধরে খেলছি। এই ঘটনা আমায় আনন্দ দিচ্ছে।’ এরপর নাদাল বলেন, ‘অসংখ্য ধন্যবাদ প্রত্যেককে যারা আমায় দীর্ঘ কেরিয়ারে পথ চলার জন্য কোনও না কোনওভাবে সাহায্য করেছেন।’

ফ্রান্সের রাজধানী শহরে এদিন শুরুটা মোটেই ভালোই হয়নি। উল্লেখ্য, এদিন ম্যাচের প্রথম সেট ৪-৬ ব্যবধানে হারতে হয় নাদালকে। যদিও শেষ অবধি গোটা ম্যাচে ১৬টি এস এবং তিন-চারটি ব্রেক পয়েন্ট রক্ষা করে শেষ হাসি হাসেন তিনি। ম্যাচের পর নাদাল বলেন পিছিয়ে পড়ে এমন প্রত্যাবর্তনের ম্যাচগুলো কখনও কখনও ৬-৩, ৬-৩ ফলাফলের চেয়ে অনেক মানসিক সুখ দেয়।

উল্লেখ্য, গত মাসে ফরাসি ওপেনে প্রবলতর প্রতিপক্ষ নোভাক জকোভিচকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে ২০তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম নিজের নামে করে নিয়েছিলেন রাফায়েল নাদাল। স্ট্রেট সেটে নোভাককে ৬-০, ৬-২, ৭-৫ ব্যবধানে পরাস্ত করে ১৩ বারের জন্য লাল সুড়কির কোর্টে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছিলেন রাফা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।