হেলসিংকি: বাতাসে আচমকা বেড়ে গিয়েছে তেজস্ক্রিয়তা বা রেডিও অ্যাকটিভিটির মাত্রা। ঠিক কী কারণে এভাবে বাড়ল তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিশ্লেষণ। ইউরোপের আকাশে কোথা থেকে বাড়ল এই তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা।

ইউরোপ জুড়ে তাই তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে রাশিয়ার দিক থেকে কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ আসছে। কিন্তু রাশিয়ার তরফে দাবি, তাদের নিউক্লিয়ার প্লান্টে কোনও সমস্যা নেই।

রাশিয়ান এজেন্সি TASS জানিয়েছে যে তাদের দুটি নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টেব কোনও সমস্যা নেই। রাশিয়ার সেন্ট পাটার্সবার্গের কাছে রয়েছে একটি প্লান্ট ও মুরমানস্কের কাছে রয়েছে আর একটি প্লান্ট। তারা জানিয়েছে তাদের রেডিয়েশন লেভেল স্বাভাবিক রয়েছে।

নরওয়ে ও সুইডেনের নিউক্লিয়ার সেফটি সংক্রান্ত সংস্থা ‘দ্য ফিনিশ’ জানিয়েছে বাতাসে কিছুটা রেডিয়েশন বেড়েছে। তবে তা মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর নয়। ফিনল্যান্ড, স্ক্যান্ডেনেভিয়া ও আর্কটিকের কিছু অংশে দেখা গিয়েছে ওই রেডিয়েশন।

সুইডিশ রেডিয়েশন সেফটি অথরিটি জানিয়েছে, কীভাবে রেডিয়েশনের লেভেল বাড়ল, তা এখনই জানা সম্ভব নয়। তবে নেদারল্যান্ডের পাবলিক হেল্থ অ্যান্ড দ্য এনভায়রনমেন্ট জানিয়েছে সরাসরি রাশিয়া থেকে এসেছে কিছু রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ।

ডাচ এজেন্সি বলছে এই রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ কৃত্রিম অর্থঅৎ মানুষের তৈরি, প্রকৃতিজাত নয়। তবে সংখ্যায় এতটাই কম যে উৎস খুঁজে বের করা সম্ভব হচ্ছে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।