নয়াদিল্লি: ‘জয় শ্রী রাম’, ‘জয় হিন্দ’, ‘আল্লা হু আকবর’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠল সংসদ৷ আনুষ্ঠানিকভাবে সাংসদ হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এই সব ধর্মীয় স্লোগানই শোনা গেল বিভিন্ন দলের সাংসদদের মুখে৷ স্লোগান শোনা গেল হেমা মালিনীর মুখেও৷ তবে একটু ভিন্ন ধরনের৷

বঙ্গ বিজেপির সাংসদদের মতো ‘জয় শ্রী রাম’ উচ্চারণ করলেন না হেমা মালিনী৷ বরং ‘রাধে রাধে’ বলেই শপথবাক্য শেষ করেন তিনি৷ বলিউডের ড্রিম গার্ল হেমা মথুরার সাংসদ৷ প্রসিদ্ধ হিন্দুতীর্থ মথুরা কৃষ্ণের শহর বলেই পরিচিত৷ এখানে কৃষ্ণভক্তরা ‘রাধে রাধে’ বলেই একে অপরকে অভিবাদন জানান৷ সেই পরম্পরা বজায় রাখলেন হেমা৷

শপথ পাঠ শেষ হতেই ‘রাধে রাধে’, ‘কৃষ্ণ বন্দে’, ‘জগত গুরু’ ইত্যাদি ধ্বনি শোনা গেল তাঁর মুখে৷ পিছনে বসা অন্যান্য সাংসদরাও হেমার তালে তাল মিলিয়ে তারস্বরে ‘রাধে রাধে’ বলে ওঠেন৷ উত্তরপ্রদেশের মথুরা লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার সাংসদ হন হেমা মালিনী৷ রাষ্ট্রীয় লোক দলের প্রার্থী নরেন্দ্র সিংকে হারান তিনি৷ এদিন হেমা পিচ রঙের শাড়ি পড়ে সংসদে আসেন৷ হিন্দিতে শপথ পাঠ করেন তিনি৷

শুরু থেকেই সাংসদদের শপথবাক্য পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বাঁধে বিতর্ক৷ সৌজন্যে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় এবং দেবশ্রী চৌধুরী৷ সাংসদ হিসাবে শপথ নেওয়া শেষ হতেই ‘জয় শ্রী রাম’, ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিত হয়েছিল৷ সেই ধারা মঙ্গলবারও বজায় থাকল৷

তাদের দেখাদেখি অন্যান্য বিজেপির সাংসদেরা এদিন শপথবাক্য পাঠের শেষে তোলেন ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘জয় শ্রী রাম’৷ কম যাননি তৃণমূল সাংসদরাও৷ ‘জয় শ্রী রাম’ এর পাল্টা তারা তোলেন ‘জয় মা কালী’, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান৷ এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসিও শপথ শেষে আল্লাহু আকবর স্লোগান দেন৷ ফলে আজ দিনভর সংসদের অন্দরে চলে স্লোগানের লড়াই৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।