স্টাফ রিপোর্টার, ইংরেজবাজার: এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণ৷ তারপর কেটে গিয়েছে নয় নয় করে কুড়িটা বছর৷ অভিযুক্ত নিজেও হয়তো একপ্রকার ভুলতে বসেছিল সবকিছু৷ কিন্তু শেষ রক্ষা হল না৷ এতগুলো বছর পরেই দোষী প্রমাণিত হল অভিযুক্ত৷ পেল শাস্তিও৷

জানা গিয়েছে, এটি মালদহের ঘটনা৷ বুধবার মালদহ ফোর্থ কোর্টের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক এন্ড সেশন জজ ভবানী শংকর শর্মা এই সাজা ঘোষণায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন নির্যাতিতা ওই যুবতীর পরিবার।

পড়ুন: বন্দুক নিয়ে উদ্দাম নেচে সাসপেনশনের মুখে চ্যাম্পিয়ন

সরকার পক্ষের আইনজীবী অমল কুমার দাস জানিয়েছেন , অভিযুক্ত যুবকের নাম মানিক মন্ডল । তার বাড়ি হবিবপুর থানার দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকায়৷ ২০১৬ সালের ২২ মার্চ প্রতিবেশী এক যুবতীকে ফুসলিয়ে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত মানিক মন্ডল। তার ওপর নৃশংস ভাবে শারীরিক অত্যাচার চালানো হয়। এরপরই নির্যাতিতা ওই যুবতীর পরিবারের পক্ষ থেকে হবিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় । সেই দিনই গুরুতর অসুস্থ প্রতিবন্ধী যুবতীকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়৷ সাত দিন ধরে তার চিকিৎসা চলে।

এই ঘটনার পাশাপাশি হবিবপুর থানায় ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হতেই পুলিশ মামলা রুজু করে। ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই অভিযুক্ত মানিক মন্ডলকে গ্রেফতার করে হবিপুর থানার পুলিশ। বিচারাধীন অবস্থায় মালদহ জেলা সংশোধনাগারে থেকেই শুরু হয় এই মামলাটি।

পড়ুন: বেতন নিয়ে ক্ষোভ, সল্টলেকে সরকারি কর্মচারী পরিষদের বিক্ষোভ

অভিযোগের ভিত্তিতে মালদা হবিবপুর থানার তদন্তকারী অফিসার বিপুল সরকার ৩৭৬/(২)(১)এম ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেন। ১১জন সাক্ষী নেওয়া হয়। বুধবার দুপুর দুটোয় মালদহ আদালতে অভিযুক্ত মানিক মণ্ডলের ২০ বছরের জেল এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে আরও ৪ বছর জেল নির্দেশ দেয় আদালত।