দুর্গাপুর: ফের অভিজাত এলাকায় মিলল দেহ ব্যবসার খোঁজ। পার্লারের আড়ালেই চলছিল নিষিদ্ধ কাজকর্ম। ১১ জন মহিলা সহ মোট ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার থেকে এই চক্রকে ধরেছে পুলিশ।

দুর্গাপুরের অন্যতম ব্যস্ত ও জমজমাট এলাকা সিটি সেন্টারের একটি পার্লারে শনিবার সন্ধেয় অভিযান চালায় পুলিশ। যার নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার এবং গোয়েন্দা বিভাগের এসিপি। পার্লারের দরজা বন্ধ করে কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়। এরপরই ওই মধুচক্রের সঙ্গে জড়িতদের হাতেনাতে ধরে পুলিশ। ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগেও কলকাতা সহ অন্যান্য এলাকায় এই ধরনের অভিযোগ এসেছে ও পুলিশের অভিযানে কিছু ধরাও পড়েছে । তারপরেও বন্ধ হয় নি এই কারবার। এমনকি দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার এলাকাতেও এই ধরনের অভিযোগ আগেও এসেছে। পুলিশ জানায় যে সিটি সেন্টারের অম্বুজানগরী এলাকায় ওই বিউটি পার্লারের সামনে সন্ধ্যার পর গাড়ির লম্বা লাইন লেগে যেত। বহু মানুষকে ওই পার্লারে যেতে দেখা যায়। তারপর সেখানে ওই বিউটি পার্লারের আড়ালে দেহ ব্যবসা চলছে বলে বেশ কিছু অভিযোগ আসে। এলাকার লোকজন দাবি করেছেন যে স্থানীয় মহিলা তো বটেই আশেপাশের এলাকা থেকে মহিলা নিয়ে এসে সেখানে এই দেহ ব্যবসা চালানো হচ্ছিল।

অভিযোগের এই লম্বা তালিকা হাতে পেয়ে অবশেষে গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকদের সাহায্যে শনিবার হানা দেয় আসানসোল-দুর্গাপুর থানার পুলিশ। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি জানিয়েছেন, দেহ ব্যবসার অভিযোগে বিউটি পার্লারে হানা দিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। ভিন রাজ্য ও জেলা থেকে মহিলাদের এনে দেহ ব্যবসা করানো হতো বলে অভিযোগ এসেছে পুলিশের হাতে। ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।