বর্ধমান:  চাঞ্চল্যকর ঘটনা বাংলার বুকে। মহিলাকে হোয়াটসঅ্যাপে অশ্লীল ছবি পাঠানোর অভিযোগ। আর এই অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান সাইবার থানার পুলিশ। ধৃতের নাম আনারুল মোল্লা বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ধৃত আনারুলের বাড়ি হুগলির সিঙ্গুর থানার ঠাকুরহাটে। গতকাল বুধবার সকালে বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ধৃতের মোবাইল, সিমকার্ড ও চিপ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। কীভাবে ওই যুবক এক কীর্তি ঘটাল তা জানার চেষ্টা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ধৃত আনারুলকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আগামী রবিবার ধৃতকে ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম। পুলিশ জানিয়েছে, কালনা থানার খেয়াঘাট এলাকায় ওই মহিলার বাড়ি।

গত ৮ মাস আগে কয়েকটি মোবাইল থেকে মহিলার হোয়াটসঅ্যাপে অশ্লীল ছবি পাঠানো হয়। যেসব নম্বর থেকে ছবি পাঠানো হয়েছিল সেগুলির উল্লেখ করে মহিলা সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মোবাইলের সূত্র ধরে অশ্লীল ছবি পাঠানোয় আনারুলের জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিস। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।