মুম্বই: সম্পর্কের মারপ্যাঁচ, চারিদিকে রহস্যে গন্ধ, এই মুহূর্তে যে গল্পের হিরো, পরমুহূর্তে সেই ভিলেন৷ এই নিয়েই ২০০৮ সালে তৈরি হয় ‘রেস’ ফ্র্যাঞ্চাইজি৷ ‘রেস’ হোক বা ‘রেস টু’, দুটি ছবির চিত্রনাট্য আলাদা হলেও জোড়ালো গল্পে, দর্শকদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান রাখার ক্ষমতা রাখেন ছবির নির্মাতারা৷

‘রেস’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ছবি দেখতে বসে অডিয়ন্স যতই গোয়ান্দাগিরি করার চেষ্টা করুক না কেন, ক্লাইম্যাক্স বোঝার ক্ষমতা কারও নেই৷ এ তো গেল ‘রেস’ এবং ‘রেস টু’র কথা৷ আগামী মাসের ১৫ তারিখ সিনেমা হলে আসতে চলেছে ‘রেস থ্রি’৷ সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ট্রেলার ইতিমধ্যেই সারা ফেলে দিয়েছে চারিদিকে৷ তবে ছবি মুক্তির আগেই দর্শকদের মায়াজালে বেঁধে ফেলেছেন ছবির কাস্ট অ্যান্ড ক্রিউ৷ না! কারণ কিন্তু ট্রেলার নয়৷

সম্প্রতি ছবির একটি শর্ট ক্লিপে এক্কেবারে কনফিউজড হয়ে গিয়েছেন সিনেপ্রেমীরা৷ ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পরই বদলে গেল সবকিছু৷ ছবির পরিচালক থেকে শুরু করে ক্রিউ সব গেল পাল্টে৷ এমনকি ছবির পরিচালক নাকি রেমো ডি সিউজা নন৷ সলমন খান হলেন ফিল্মে র ডিরেক্টর৷

প্রমাণসহ হাজির হল ছবির তারকা থেকে শুরু করে ক্রিউ মেম্বাররা৷ ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি বিহাইন্ড দ্য সিনসের ক্লিপ৷ মরুভূমির মধ্যে চলছে শ্যুটিং৷ যেখানে গাড়ি করে নামলেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফারন্যানডিজ৷ তারপরই এগিয়ে গেলেন হেলিকপ্টারের দিকে৷ বেশ খানিকটা দূরে রয়েছে ফিল্মে র গোটা টিম৷ সেখানে হিরোরা বদলে গেলেন পরিচালক, ক্যামেরাম্যান এবং পরিচালক বদলে গিয়েছেন ছবির নায়কের রূপে৷

সেখানে ক্যামেরাম্যান হিসেবে দেখা গেল অমিল কাপুরকে৷ যিনি নিজের কাজ নিয়ে এতটাই সিরিয়াস যে কপাল থেকে রক্ত ঝড়ছে তবুও ক্যামেরা কাঁধে নিয়ে হেঁটে চলেছেন৷ অন্যদিকে আর্ট ডিরেক্টরের প্রতিটি দায়িত্ব নিখুঁতভাবে পালন করার চেষ্টা করছেন ডেইজি শাহ৷ এছাড়া বেশ বিরক্ত হাবভাবে নজড়ে এলেন লাইটম্যান শাকিব সালিম৷ ফিল্মে র কস্টিউম ডিরেক্টর ববি দেওল কনফার্ম করে নিয়ে দেখে নিচ্ছেন সব সিনেমার সবার কস্টিউম রেডি আছে কিনা৷ অবশেষে দেখা গেল মুভির পরিচালককে৷ সলমন খান৷ ফিল্মে র শ্যুটিংয়ে সবথেকে স্ট্রিক্ট তিনিই৷

যাঁকে সকলে ‘রেস থ্রি’র পরিচালক হিসেবেই জানত তিনি কিনা ছবির স্টার৷ রেমো ডি সিউজাকে রিভলভার হাতে দেখা গেল পোজ দিতে৷ ভিডিওর শেষে গাড়িতে ওঠার সময় ফ্যানেদের জন্য একটি বার্তাও দিলেন৷ ‘ ‘রেস থ্রি’ তে যা দেখছেন তা কিচ্ছু বিশ্বাস করবেন না৷’ এমন গোলক ধাঁধা ভিডিওটি সম্বভত বানানো হয়েছে দর্শকদের উৎসাহ বারাবার জন্য৷ যেহেতু ছবির কেন্দ্রবিন্দু রহস্যের বেড়াজাল৷ বিহাইন্ড দ্য সিনসেও সেই আমেজ বজায় রাখার জন্য এমন ভিডিও বানানো৷