স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে হেঁটেই স্নাতক চূড়ান্ত বর্ষ এবং চূড়ান্ত সিমেস্টারের পরীক্ষার ২ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দিল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ও। জানানো হয়েছে, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই ওপেন বুক বা এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৪০ নম্বরে পরীক্ষা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার বিষয় বিশদে তথ্য দেওয়া থাকবে বিশ্ববিদ্যালয় এর ওয়েবসাইটে। যাদের থিওরি পেপার রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রেও এই একই নিয়ম প্রযোজ্য।

১ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর হবে পরীক্ষা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আগে স্থির করেছিল, পড়ুয়ারা বাড়িতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর লিখে উত্তরপত্র ই-মেল বা হোয়াটসঅ্যাপে অথবা কলেজে গিয়ে হাতে হাতে জমা দেবেন। ইউজিসি পরে নির্দেশ দেয়, ২৪ ঘণ্টা নয়, দু’-তিন ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষা নিতে হবে। প্রশ্নপত্র ডাউনলোড এবং উত্তরপত্র আপলোড করার জন্য খুব বেশি হলে আধ ঘণ্টা সময় দেওয়া হবে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ইউজিসি-র নিয়ম মেনে পরীক্ষা হবে দু’ঘণ্টায়, বেলা ১২টা থেকে ২টো। উত্তরপত্র জমা দেওয়ার জন্য মিলবে আধ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রের ধরন বদলাচ্ছে না। ছাত্রছাত্রীরা ‘এ-ফোর’ কাগজে উত্তর লিখবেন। রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পৃষ্ঠা-সংখ্যা লিখতে হবে সব পাতায়। পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টা বা ৪৫ মিনিট আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশ্ন পাঠাবে অধ্যক্ষদের কাছে। অধ্যক্ষেরা নিজেদের কলেজের ওয়েবসাইটে তা আপলোড করবেন।

সোমবার কলেজগুলির সঙ্গে বৈঠকে পরীক্ষার দায়িত্ব কার্যত তাদের উপরেই চাপিয়ে দিয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। জানানো হয়েছে, ইউজিসি-র নিয়মবিধি অবশ্যই মানতে হবে। কলেজগুলি কী ভাবে পরীক্ষা পরিচালনা করবে, তা তারা বুঝে নিক।

জানা গিয়েছে, সেই বৈঠকে বহু অধ্যক্ষ প্রশ্ন তোলেন, বহু পড়ুয়ার স্মার্টফোন নেই। নেই দ্রুত গতির ইন্টারনেটের সুযোগ। আধ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র পাঠাবেন কী ভাবে? কারোর কারোর প্রশ্ন ছিল, যে-সব পড়ুয়া মেল বা হোয়াটসঅ্যাপ করতে পারবেন না, তাঁরা আধ ঘণ্টার মধ্যে কলেজে এসে উত্তরপত্র জমা দিতে না-পারলে কী হবে? বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বলা হয়েছে, কলেজ-কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বুঝে নেবেন। তাঁরা প্রয়োজনে পড়ুয়ার বাড়ি থেকে উত্তরপত্র সংগ্রহ করবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।