কলকাতা: রাজ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল-বেঞ্চ৷ রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা৷

এদিন নির্বাচন কমিশনারের কাছে সিপিএম নেতা একাধিক অভিযোগ করেন৷ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রবিন দেব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বহু সিপিএম নেতার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ ভোট লুঠ হচ্ছে, কে কত আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করতে পারে, তার প্রতিযোগিতা চলছে রাজ্যে৷ দুটো রাজনৈতিক দল মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে৷

ভোট কর্মীদের যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে৷ সামনেই বিধানসভা ভোট৷ তাই রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল-বেঞ্চ৷ আজ দফায়-দফায় বৈঠক করছেন মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা৷ সকালে রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার জ্ঞানবন্ত সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন তিনি৷ দুপুরে বৈঠক করলেন রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে৷

বিকেলে রাজ্য়ের সব জেলার পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন৷ এমনটাই সূত্রের খবর৷ রবিন দেব ছাড়াও শাসকলদল তৃণমূলের তরফে এদিন কমিশনের কর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়রা।

অন্যদিকে, বিজেপির তরফে দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, সব্যসাচী দত্ত, শিশির বাজোরিয়া, স্বপন দাশগুপ্তরা। কংগ্রেস নেতা সৌম্য আইচ-সহ অন্যান্য নেতারা কমিশনের কর্তাদের সঙ্গে দেখা করে তাদের অভিযোগ জানান৷

দিন কয়েক আগেই রাজ্য সফরে এসে প্রয়োজনীয় সব রিপোর্ট নিয়ে গিয়েছিলেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। তিনি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে সেই সময় ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন। এমনকী রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে প্রয়োজনে জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের মতো সরকারি আধিকারিকদের অপসারণেরও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে কমিশন।

করোনাকালে এবার বঙ্গে বিধানসভা ভোট। সেই কারণেই সতর্কতামূলক একাধিক ব্যবস্থা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার বাড়ানো হতে পারে নির্বাচনের পর্যায় সংখ্যাও। অন্যদিকে, বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনা করা এবার চ্য়ালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের কাছে।

বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বাংলায় ব্য়াপক কারচুপি ও গন্ডগোলের অভিযোগ উঠেছিল। এমনকী সেই বিতর্কের জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সেই কারণে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিবেশকে এবার শান্তিপূর্ণ করতে জোরদার তৎপরতা নির্বাচন কমিশনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।