বার্মিংহ্যাম: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৯ বলে ৩২ ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৪১ বলে ৪৮। চোটের কারণে বিজয় শংকরের পরিবর্ত হিসেবে বিশ্বকাপ কেরিয়ারের প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে সমীহ আদায় করে নিয়েছেন ঋষভ পন্ত। তবে তরুণ ক্রিকেটারের ফিল্ডিং নিয়ে অখুশি রামকৃষ্ণান শ্রীধর। প্রথম দু’ম্যাচে তরুণ ঋষভের ফিল্ডিং দেখেশুনে তাঁকে আরও বেশি অ্যাথলেটিক হওয়ার পরামর্শ দিলেন দলের ফিল্ডিং কোচ।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের ২৮ রানে জয়ের পর মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের সামনে পন্তের ফিল্ডিং ইস্যুতে মুখ খোলেন শ্রীধর। শুধু অ্যাথলেটিক হওয়াই নয় পাশাপাশি পন্তকে ফিল্ডিংয়ের খুঁটিনাটি বিষয়ে উন্নতি করার পরামর্শ দেন কোচ। শ্রীধর জানান, ‘বেশ কিছু বিষয়ে নজর দিতে হবে পন্তকে। প্রথমত, থ্রোয়িং টেকনিকে পন্তকে উন্নতি করতে হবে পাশাপাশি একজন আউটফিল্ডার হিসেবে ওকে আরও বেশি অ্যাথলেটিক হতে হবে।’

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা রায়ডুর

এছাড়া শ্রীধরের কথায় অধিনায়ক কোহলি এবং ধোনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ওকে একদম সঠিক জায়গায় প্রয়োগ করেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে আউটফিল্ডে অন্তত ৫ রান সঙ্গে একটি ক্যাচ নিয়েছিলেন পন্ত। শ্রীধরের কথায় যা বোনাস ছিল দলের পক্ষে। কিন্তু বাংলাদেশ ম্যাচে পন্তের ফিল্ডিংয়ে হতাশ শ্রীধর জানান, উইকেটকিপার হওয়া সত্ত্বেও আউটফিল্ডার হিসেবে দীনেশ কার্তিক তরুণ পন্তের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। পাশাপাশি ভারতের ফিল্ডিং কোচের মতে এজবাস্টনের মত গোলাকার নয় এমন মাঠের বিভিন্ন কোন সম্পর্কে ধারণা থাকা ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: ১৫ বছর পর বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নপূরণ ডিকে’র

একইসঙ্গে এজবাস্টনের সঙ্গে ইডেন গার্ডেন্সের তুলনা করে শ্রীধর জানান এইসব গ্রাউন্ডের আউটফিল্ড এতটাই দ্রুত, যেখানে একবার ফিল্ডার পরাস্ত হলে বলের নাগাল পাওয়া সম্ভব নয়। সবমিলিয়ে ফাঁক-ফোকর ভরাট করে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ন ম্যাচগুলিতে পন্তকে ফিল্ডিংয়ে আরও মনোযোগী হওয়ার উপদেশ দিয়েছেন দলের ফিল্ডিং কোচ। মঙ্গলবার এজবাস্টনে বাংলাদেশকে ২৮ রানে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে গ্রুপের এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া।

আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং ইংল্যান্ডের

রোহিত শর্মার ধ্রুপদী শতরান, কেএল রাহুলের ৭৭ রানের সৌজন্যে প্রথমে ব্যাট করে ৩১৪ রান তোলে কোহলিব্রিগেড। জবাবে মূলত বুমরাহর ৪ উইকেট, পান্ডিয়ার ৩ উইকেটে ৪৮ ওভারে ২৮৬ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।