মালাপ্পুরম: খেলার মাঠে আবার ঘটল মূত্যুর ঘটনা৷ এবার খেলতে খেলতে মাঠেই মারা গেলেন কলকাতার তিন প্রধানে দীর্ঘদিন খেলে যাওয়া ডিফেন্ডার রাধাকৃষ্ণন ধনরাজন, যিনি ময়দানে ধনা নামে পরিচিত ছিলেন৷ রবিবার রাতে কেরলের পেরিন্দালমান্নাতে স্থানীয় এক সেভেন-এ-সাইড ফুটবল ম্যাচে খেলতে নেমেছিলেন ধনরাজন৷ খেলার মাঝেই বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং মাঠেই লুটিয়ে পড়েন তিনি৷

আরও পড়ুন: পিছিয়ে পড়েও চার্চিলকে হারাল অ্যারোজ, শীর্ষে থেকেই বছর শেষ করছে ইস্টবেঙ্গল

এফসি পেরিন্দালমান্না ও সাস্থ ত্রিসারের মধ্য ম্যাচের ২৭ মিনিটে ঘটে এই দূর্ঘটনা৷ ৩৯ বছর বয়সি সেন্ট্রাল ব্যাককে তড়িঘড়ি নিকটবর্তী মৌলানা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি৷ হাসপাতালে পৌঁছনোর পর ডাক্তাররা ধনরাজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন দুই ভাই-বোন, স্ত্রী ও তিন বছরের কন্যাকে৷

আরও পড়ুন: ৪ মিনিটের নীল বিপ্লবে জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ গানার্সদের

মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মহামেডান স্পোর্টিং ছাড়া ইউনাইটেড স্পোর্টস ও সাদার্ন সমিতির হয়েও মাঠে নেমছিলেন ধনরাজন৷ ক্যাপ্টেন হিসেবে মহামেডানকে ডুরান্ড কাপ ও আইএফএ শিল্ড এনেদিয়েছিলেন তিনি৷ কেলরের প্রখ্যাত কোচ চাত্তুণ্ণির সুযোগ্য ছাত্র ছিলেন ধনরাজন৷ তাঁর কোচিংয়ে ভিভা কেরলে খেলার সময়ই ভারতীয় ফুটবলমহনের নজরে পড়ে যান তিনি৷

আরও পড়ুন: পাঁচে উঠে বছর শেষ করল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাউটেড

পরে ২০০৮ সালে ডেনসন দেবদাসকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় খেলতে আসেন ধনরাজন৷ নিজের সময়ের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার ছিলেন তিনি৷ নতুন শতকে কেরলে জন্ম নেওয়া সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন হিসাবে বিবেচিত হতে৷ পেশাদার ফুটবল ছাড়লেও সেভেন-এ-সাইড ফুটবলে প্রায় নিয়মিত মাঠে নামতেন ধনরাজন৷ কোচিং করানোর ইচ্ছা থেকেই ‘ডি’ লাইসেন্সও পাস করেন প্রয়াত ডিফেন্ডার৷ স্বাভাবিকভাবেই ধনরাজনের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া বাংলা তথা দেশের ফুটবলমহলে৷ শোকস্তব্ধ কেরলের ফুটবলমহলও৷

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প