ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের ৭৬ তম বর্ষপূর্তিতে মহাত্মা গান্ধীকে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘’ভারত ছাড়ো আন্দোলনের প্রাক্কালে গান্ধিজীর স্লোগান ডু অউর ডাই( করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে ) দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।’’

এদিন ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে সেসময় যেভাবে সাধারণ নারী পুরুষ আন্দোলনে এগিয়ে এসেছিলেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন৷ সেই সঙ্গে তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা ঞ্জাপন করেন মোদী। বৃহস্পতিবার ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘ মহাত্মা গান্ধীর ডু অউর ডাই ( করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে ) স্লোগান দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেছিল’। তৎকালীন সময়ের একটি রিপোর্টের ছবি ট্যুইটারে পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘’এর থেকেই বোঝা যায় কি বিপুল পরিমাণ মানুষ এই আন্দোলনকে সমর্থন করে রাস্তায় নেমেছিলেন’’।

১৯৪৬ সালে মদন মোহন মালব্যের ‘অভ্যুদয়’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন নিয়ে লেখা একটি কবিতা ট্যুইটারে পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘‘ আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ন্যাশানাল আরকাইভকে। এর জন্য আমি ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের খুঁটিনাটি বিষয়গুলি সম্পর্কে জানতে পারছি।’’

এদিন প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন ঔপনিবেশিক শাসকদের একটি রিপোর্ট ট্যুইটারে পোস্ট করেন৷ লেখেন, ‘‘যদিও এই রিপোর্টটি সঠিক ভাবে পড়া যাচ্ছে না। তাও বোঝা যায় বাপুজি ঠিক কীভাবে ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছিলেন এবং আমাদের দেশকে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।’’

১৯৪২ সালে আজকের দিনেই ব্রিটিশদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য ভারতীয়দের ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’র ডাক দিয়েছিলেন ‘ফাদার অফ নেশন’ মহাত্মা গান্ধী। মুম্বইয়ের গোয়ালিয়া ট্যাংক থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল। প্রতি বছর এই দিনটিকে ‘আগস্ট ক্রান্তি দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।