স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: শীত পড়তেই লেপ, কম্বলের চাহিদা তুঙ্গে। সারা বছর অপেক্ষার পর জাঁকিয়ে শীত পড়ায় হাসি ফুটেছে লেপ ব্যবসায়ীদের। শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে গৃহস্থালিতে আগে যার কথা মনে পড়ে তা হল লেপ আর কম্বল। বর্তমান সময়ে কম দামে শীত ঠেকানোর জন্য বালাপোশের চাহিদা বেড়েছে অনেকগুন।

কি এই বালাপোশ? কিভাবে তৈরি কিরা হয়? বর্তমান সময়ে তুলোর পরিবর্তে হোসিয়ারি কারখানার বাতিল টুকরো টুকরো কাপড়ের অংশ দিয়ে বালাপোশ তৈরি করা হয়ে থাকে। আগে তুলো দিয়ে লেপ তৈরির চল থাকলেও বর্তমান সময়ে বালাপোশের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে অনেকগুন।

তবে শীতের মরশুমের প্রথমদিকে ঠান্ডা সেইভাবে না পড়লেও বছরের শেষের দিক থেকে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। ফলে বাড়িতে বাড়িতে বালাপোশের চাহিদা বেড়েছে। জেলাজুড়ে এখন বালাপোশের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। বালাপোষ প্রস্তুতকারকদের পাশাপাশি হোসিয়ারি কারখানার আয় বেড়েছে অনেকটাই। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট, সিদ্দা,তমলুক মহিষাদল, চন্ডিপুর সহ জেলার বেশ কিছু জায়গাউ হোসিয়ারি কারখানা গড়ে উঠেছে। সেই সব কারখানার বাতিল টুকরো কাপড়ের চাহিদাও বেড়েছে।

বালাপোশ প্রস্তুতকারক গোপাল দেবনাথ জানান, গতবছর বালাপোশের যে সরঞ্জাম ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি৷ এই বছর শীত জাঁকিয়ে পড়ায় চাহিদা বেশি থাকায় সেই জিনিসের দাম ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়লেও চাহিদা থাকায় জোগান দিতে পারছি না। কয়েকদিন ধরে শীত জাঁকিয়ে পড়ায় চাহিদা আরও বেড়েছে৷ কিন্তু তা সামাল দিতে পারছেন না প্রস্তুতকারকরা৷ সারা বছরে সেইভাবে বিক্রি না হয় না৷ ফলে জাঁকিয়ে শীত পড়ায় সারা বছরের ঘাটতির কিছুটা হলেও উসুল হয়ে যাচ্ছে।