মেলবোর্ন: এক অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দানা বাঁধছে ক্ষোভ। কাপড় খুলে চলল তল্লাশি। কাতার এয়ারওয়েজের ঘটনা। পোশাক খুলে মহিলাদের তল্লাশি চালান হল। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমত ক্ষুব্ধ অস্ট্রেলিয়া। কারণ সেখানকার যাত্রীদের সঙ্গেই এরকম ব্যবহার করা হয়েছে।

যেসব মহিলাদের তল্লাশি চালানো হয়েছিল, তাঁরা কাতার এয়ারওয়েজের বিমানের যাত্রী ছিলেন। দোহা থেকে সিডনিতে ফেরার একটি ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটেছে। আর এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের একটি টার্মিনালের টয়লেট থেকে এক সদ্যজারকে উদ্ধার করা হয়। এরপরই এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অস্ট্রেলিয়ার মিডিয়াকে জানায়, বিমান থেকে নামানোর আগে ওই নারীরা কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে উঠেছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ার ১৩ জন নারীকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয় এবং পরীক্ষা করার আগে তাদের অন্তর্বাস খুলতে বলা হয়। অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন’কে উলফগ্যাং বাবেক নামে এক যাত্রী বলেন যে, “যখন ওই নারীরা ফিরে আসেন তখন তারা প্রত্যেকেই অত্যন্ত আপসেট ছিলেন। এদের মধ্যে তুলনামূলক কম বয়সী একজন কাঁদছিলেন।”

এই ঘটনাকে চরম বিরক্তিকর, আপত্তিকর এবং উদ্বেগজনক বলে চিহ্নিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। এই বিষয়ে কাতারের প্রতিক্রিয়া জানার পর অস্ট্রেলিয়ার “পরবর্তী পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত” নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া বলেছে যে তারা সময় মতো এই ঘটনা অবহিত করেছে এবং এ বিষয়ে “আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বেগও জানানো হয়েছে।”

হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের এক মুখপাত্র জানান, ওই সদ্যজাত কার সন্তান, তা জানতেই এই তল্লাশি করা হচ্ছিল। বিমানবন্দর ত্যাগ করার আগে তাকে খুঁজে বের করার অনুরোধ করা হয়।

এক বিবৃতিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়,”বিমানবন্দরের যে স্থানে ওই নবজাতককে পাওয়া গিয়েছিল সেখানে যাদের প্রবেশাধিকার ছিল তাদের প্রত্যেককেই এই তদন্তে সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছিল।”

মিজ পেইন বলেন, সিডনিতে পৌঁছানোর পর ওই মহিলাদের সাথে যোগাযোগ রাখছে অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ। ভ্রমণ করে ফেরার কারণে তারা সবাই এখন হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I