লাহোর: পাকিস্তানের সোশ্যাল মিডিয়া স্টার কান্দিল বালোচের বহুচর্চিত হত্যা মামলা এক নয়া মোড় নিতে চলেছে৷ জানা গিয়েছে, এক সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করেছেন কান্দিলের বাবা৷ এরপরে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে৷

বুধবার আদালতে মামলা চলাকালীন কান্দিলের পিতা এবং অভিযোগকারী আজিম বালোচ, অসলমের(কান্দিলের ভাই) বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করেন৷ আজিম বালোচ কান্দিলের হত্যাতে অসলমের যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছিলেন৷কিন্তু মুলতানের আদালতে তিনি নিজের বক্তব্য থেকে পিছিয়ে যান৷ পুলিশ ২১৩ধারায় আজিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে৷কান্দিলের মৃত্যুতে কান্দিলের ভাই এবং আরও দুই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই অভিযোগ আনা হয়েছে৷

এই ঘটনায় যুক্ত থাকার সন্দেহে আরও এক ব্যক্তি জাফর খোসা পলাতক৷ কিন্তু বাকি তিন ব্যক্তি কান্দিলের হত্যায় তাঁদের জড়িত থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে৷

গত বছর ১৫জুলাই লাহোর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে মুলতানে কান্দিলের বাড়ি থেকে কান্দিলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়৷ গলা টিপে তার হত্যা করা হয়৷ তবে কান্দিলের ভাই এই ‘অনার কিলিং’ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি একবার স্বীকার করেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে৷
ছবি- কান্দিল
The high-profile murder of Pakistani social media star Qandeel Baloch has taken a new turn after her father retracted his earlier statement and refused

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।