ইসলামাবাদ: ফাঁস হয়েছে পাকিস্তানের রেলমন্ত্রীর সেক্স স্ক্যান্ডাল। টিক টক স্টার হারেম শাহের সঙ্গে তাঁর ভিডিও চ্যাট ফাঁস হয়ে যায়। এই ঘটনা থেকে অনেকেই কান্দিল বালোচের সঙ্গে মিল পাচ্ছেন। এবার সেই হারেমকেই দেওয়া হল খুনের হুমকি। ঠিক যেভাবে কান্দিল বালোচকে মারা হয়েছিল, সেভাবেই মারা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

টিক টকে ২.১ মিলিয়ন ফলোয়ার আছে হারে হারেমের। সম্প্রতি বিতর্কের জেরে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। এরপর থেকেই আসছে হুমকি। ইন্সটাগ্রামে একের পর এক কমেন্টে তাঁকে লেখা হচ্ছে, ‘কান্দিল বালোচ কি মওত মরোগে।’

নিরাপত্তার খাতিতে কানাডায় চলে যাচ্ছেন তিনি। সেখানকার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর পাকিস্তানে আপাতত ফেরার কোনও সম্ভাবনা নেই।

টিকটক তারকা হারিম শাহ সম্প্রতি রেলমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদের সঙ্গে হওয়া এক ভিডিও চ্যাট শেয়ার করে দাবি করেছেন, রেলমন্ত্রী শেখ রশিদ এক সময় তাকে নগ্ন হয়ে ভিডিও পাঠাতেন। এমনকি অশ্লীল আচরণও করতেন ক্যামেরার সামনে। এই ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলমন্ত্রীকে নিয়ে চলছে তীব্র সমালোচনার ঝড়।

কয়েকদিন আগে ইন্টারনেটে রেলমন্ত্রী শেখ রশিদের একটি ভিডিও চ্যাট ফাঁস হয়ে যায়। যেখানে দেখা যায়, পাকিস্তানের ওই টিকটক তারকা হারিম শাহের সঙ্গে কথা বলছেন তিনি। ভিডিওতে দেখা যায়, হারিম শাহ বলছেন, আমি কি আপনার কোনো গোপন রহস্য ফাঁস করেছি? তা হলে আমার সঙ্গে কথা বলছেন না কেন?’

হারিমকে আরও বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘আপনি নগ্ন হতেন, ভিডিও তে উল্টোপাল্টা ব্যবহার করতেন।’ টিকটক তারকা এরপর বলেন, ‘আপনি যে আমায় অশ্লীল ভিডিও পাঠাতেন সেগুলোর কথা কি ভুলে গেছেন?’ সে প্রশ্নের জবাব না দিয়েই কলটি কেটে দেন মন্ত্রী।

এদিকে রেলমন্ত্রীর এই ঘটনার পর হারিম শাহের নাম ব্যবহার করে আর এক টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয় ‌’রেলমন্ত্রীর পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীরও বেশ কিছু গোপন ভিডিও আমার কাছে রয়েছে।’ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই হারিম এক টুইট বার্তার জানায়, ‘খান সাহেবকে নিয়ে আমি কখনও কোন মন্তব্য করিনি। এটি নিছক প্রোপাগান্ডা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।