নয়াদিল্লি: রবিবার বিশ্বজয় করেই দেশে ফেরার বিমান ধরেছেন৷ সোমবার রাতেই দেশে ফিরেছেন ভারতের সোনার মেয়ে৷ ফলে বিজয়োৎসব সময় পান পিভি সিন্ধু৷ তবে দেশে পা-রেখেই ২০২০ টোকিও অলিম্পিককে পাখির চোখ করা শুরু করে দিলেন হায়দরাবাদি৷

বাসেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফেরার পরই সিন্ধুকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর আগে সোনার মেয়েকে বরণ করে নেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেণ রিজিজুও৷ সেখানে সিন্ধুর হাতে পুরস্কারস্বরূপ ১০ লক্ষ টাকার চেকও তুলে দেন ক্রীড়ামন্ত্রী৷ দিল্লিতে সাংবাদিকদের সিন্ধু বলেন, ‘আমি অত্যন্ত খুশি। বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে দেশকে সোনা এনে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই জয়টার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম।’

রবিবার বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জাপানের নোজোমি অকুহারাকে ২১-৭, ২১-৭ ফলে উড়িয়ে দেন সিন্ধু। সেই সঙ্গে ইতিহাস করেন ভারতীয় শার্টলার৷ প্রথম ভারতীয় হিসেবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে দেশকে সোনা এনে দেন হায়দরাবাদি৷ সিন্ধু বলেন, ‘আমরা বিজয়োৎসব করার সময়ই পাইনি। বাসেলে জেতার পরে ফ্লাইট ধরার তাড়া ছিল। সোমবার রাতেই আমি দিল্লি পৌঁছেছি।’

দিল্লি থেকে নিজের শহর হায়দরাবাদে ফেরেন ভারতের সোনার মেয়ে৷ সেখানে বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে ভবিষ্যতের লক্ষ্য জানতে চাওয়া হলে সিন্ধু বলেন, ‘আমি আরও বেশি পরিশ্রম করে দেশকে পদক দিতে চাই।’ আগামী বছর জাপানের রাজধানী টোকিও শহরে বসছে ২০২০ অলিম্পিকের আসর৷ হায়দরাবাদে সাংবাদিক বৈঠকে সিন্ধু বলেন, ‘নিজের খেলায় আরও বৈচিত্র আনতে চাই। নতুন কিছু শটও শিখে অলিম্পিকে নামতে চাই। পরিস্থিতি অনুযায়ী রণকৌশল ঠিক করে খেলার ধরনে পরিবর্তন আনতে হয়। সেটার উপরেই বিশেষ জোর দেব।’

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন সিন্ধু। পুরস্কার বিতরণীর পরে জাতীয় সঙ্গীত যখন বাজার সময় চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি৷ টুইটারে এ কথা নিজেই জানিয়েছিলেন সিন্ধু৷ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার চোখে জল এসে গিয়েছিল কারণ আবেগপূর্ণ একটা মুহূর্ত ছিল৷ আমার কাছে একটা মুহূর্তটা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে৷’ এর আগের দু’বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দু’টি রুপো এবং দু’টি ব্রোঞ্জ জিতেছেন সিন্ধু। এবার পদকের রঙ বদল করে তা সোনায় পরিণত করেন দেশের এক নম্বর শার্টলার৷