ব্যাংকক: মালয়েশিয়ার কিসোনা সেলভাদুরাইকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে দিয়ে থাইল্যান্ড ওপেনের শেষ আটে পৌঁছে গেলেন পুসারলা ভেঙ্কট সিন্ধু। বৃহস্পতিবার ঝড় তুলে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন রিও অলিম্পিকে রুপোজয়ী শাটলার। মঙ্গলবার প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে বুসানন ওংবামরুংফানকে হারিয়েছিলেন হায়দরাবাদি শাটলার। সিন্ধুর পাশাপাশি পুরুষ সিঙ্গলসে স্ট্রেট সেটে জয়লাভ করে শেষ আটে পৌঁছেছেন সমীর বর্মাও।

সিন্ধু-সমীর জিতলেও মালয়েশিয়ার ডারেন লিউ’য়ের কাছে হেরে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে ছিটকে গেলেন এইচএস প্রণয়। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে বাঁ-কাঁধের চোটকে উপেক্ষা করে ম্যাচে ফিরে এশিয়াডে সোনাজয়ী জোনাথন ক্রিস্টিকে হারিয়েছিলেন প্রণয়। বিশ্বের ৯২ নম্বর কিসোনা সেলভাদুরাইকে হারাতে এদিন মাত্র ৩৫ মিনিট সময় নেন সিন্ধু। সিন্ধুর পক্ষে ম্যাচের ফল ২১-১০, ২১-১২। কোয়ার্টার ফাইনালে রাচানক ইন্থানন কিংবা কোরিয়ার সিং জি হিউনের মুখোমুখি হবেন সিন্ধু।

কোয়ার্টারে পা দিয়ে সিন্ধু বলেন, ‘প্রথম গেমটা আমার জন্য খুব সহজ ছিল তবে দ্বিতীয় গেমে আমায় হাওয়ার বিরুদ্ধে খেলতে হয়েছে। দ্বিতীয় গেমে বেশ কিছু সহজ ভুলচুকও হয়েছে যে ভুলগুলো করা উচিৎ হয়নি। তবে আমি যথেষ্ট সতর্ক ছিলাম।’ সিন্ধু আরও বলেন, ‘গত সপ্তাহের টুর্নামেন্টের কথা আমার মাথায় ছিল। তাই প্রত্যেকটা পয়েন্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমার কাছে। খেলায় হার-জিত আছেই। তাই গত সপ্তাহের হারটাকে ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছিলাম আমি। ওই হারটা আমায় শক্তিশালী হয়ে ফিরতে সহায়তা করেছে। সবমিলিয়ে এই জয়টা আমার জন্য ভীষণ ভালো। আমি পরের রাউন্ডের জন্য মুখিয়ে রয়েছি।’

বিশ্বের ৩১ নম্বর সমীর বর্মা কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথে বিশ্বের ১৭ নম্বর রাসমুস গেমকেকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে চমকে দিলেন। এদিন ম্যাচ জিততে মাত্র ৩৯ মিনিট সময় নেন বর্মা। প্রথম রাউন্ডে অষ্টম বাছাই মালয়েশিয়ার লি জি জিয়াকে হারিয়েছিলেন তিনি।

পিভি সিন্ধু এবং সমীর বর্মা ছাড়াও থাইল্যান্ড ওপেনে ভালো খবর ভারতের মিক্সড ডাবলস জুটির জন্যেও। বিশ্বের ১৭ নম্বর জার্মান জুটিকে ২২-২০, ১৪-২১, ২১-১৬ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করলেন সাত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি-অশ্বিনী পোনাপ্পা জুটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।