বাসেল: ২০১৯ একই ভেন্যুতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি। এরপর দেড় বছর ব্যাডমিন্টন কোর্ট থেকে হতাশা ছাড়া কিছু মেলেনি পুসারলা ভেঙ্কট সিন্ধুর। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পাওয়া ভেন্যুতেই দেড় বছর বাদে কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছলেন সিন্ধু। দুরন্ত ফর্মে থাকা হায়দরাবাদি শাটলার শনিবার সুইস ওপেন সুপার ৩০০ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে হারালেন ডেনমার্কের মিয়া ব্লিচফেল্ডতকে। মাত্র ৪৩ মিনিটে ড্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বীকে ২২-২০, ২১-১০ গেমে পরাজিত করলেন সিন্ধু।

ফাইনালে সিন্ধু মুখোমুখি হবেন তাঁর প্রবলতর প্রতিদ্বন্দ্বী স্পেনের ক্যারোলিনা মারিনের। পুরুষদের সিঙ্গলস সেমিফাইনালে শীর্ষ বাছাই ভিক্টর অ্যাক্সেলসেনের কাছে হেরে কিদাম্বি শ্রীকান্তের ছিটকে যাওয়া, পুরুষ ডাবলস থেকে দ্বিতীয় বাছাই সাত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি এবং চিরাগ শেট্টি ছিটকে যাওয়ায় টুর্নামেন্টে একমাত্র পদকজয়ের সম্ভাবনা এখন সিন্ধুর হাতেই। উল্লেখ্য, লকডাউন পরবর্তীতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনের জন্য এটাই প্রথম বিডব্লুএফ টুর্নামেন্ট। যদিও সিন্ধু ইতিমধ্যেই টোকিও অলিম্পিকের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলেছেন।

উল্লেখ্য, এদিন প্রথম গেমে সিন্ধুর সঙ্গে তাঁর ড্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বীর তুল্যমূল্য লড়াই চলে। প্রথম গেমে কোর্টে দু’জনেই প্রচুর ভুলচুক করেন। তবে নিজেকে তুলনায় কিছুটা সেরা প্রতিপন্ন প্রমাণ করে প্রথম গেম ২২-২০ ব্যবধানে জিতে নেন রিও অলিম্পিকের রুপোজয়ী। দ্বিতীয় গেমে সিন্ধুর ড্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রমাগত ভুল করে গেলেও সিন্ধু ভুল শুধরে সম্পূর্ণ অন্যরূপে ধরা দেন। স্বাভাবিকভাবেই দ্বিতীয় গেম জিতে নেওয়াটা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের জন্য অনেকটা সহজ হয়ে দাঁড়ায়। দ্বিতীয় গেমে ২১-১০ ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীকে কার্যত ধরাশায়ী করেন হায়দরাবাদি শাটলার।

রবিবারই ফাইনালে অলিম্পিক সোনাজয়ী এবং টুর্নামেন্টের শীর্ষ বাছাই মারিনের মুখোমুখি হবেন সিন্ধু। এদিন আরেকটি সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডের প্রতিশ্রুতিমান শাটলারের বিরুদ্ধে কঠিন জয় পেয়েছেন মারিন। ৭৬ মিনিটের লড়াইয়ের পর চোচুয়োং’য়কে ২১-১৫, ২০-২২, ২১-১৯ ব্যবধানে পরাজিত করেন স্প্যানিশ শাটলার। রবিবাসরীয় ফাইনালে মারিনের মুখোমুখি হওয়া প্রসঙ্গে সিন্ধু জানান, ‘মারিন যে ভালো প্লেয়ার সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচটা সহজ হবে না। আমাকে নিজের ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিতে হবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.