বাসেল: প্রবলতর প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যারোলিনা মারিনের কাছে ধরাশায়ী হয়ে সুইস ওপেনে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল পুসারলা ভেঙ্কট সিন্ধুকে। ১৮ মাস পর কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছে গো-হারা হারলেন হায়দরাবাদি শাটলার। এমনিতেই স্প্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বী বরাবরই বড় বড় মঞ্চে বেগ দিয়ে এসেছেন সিন্ধুকে। যার শুরুটা হয়েছিল ২০১৬ রিও অলিম্পিকের গোল্ড মেডেল ম্যাচ থেকে।

এরপর থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মারিনই নিজেকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে প্রতিপন্ন করেছেন সিন্ধুর তুলনায়। এদিন মুখোমুখি সাক্ষাতে ৮-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালের লড়াই শুরু করেছিলেন স্প্যানিশ শাটলার। ফাইনালে সিন্ধুকে হারাতে মাত্র ৩৫ মিনিট ব্যয় করলেন ২০১৬ রিও অলিম্পিকের সোনাজয়ী। র‍্যাংকিং’য়ে তিন বনাম সাতের লড়াই এদিন গোটাটাই ছিল একপেশে। স্ট্রেট সেটে মারিনের পক্ষে ফাইনালের ফল ২১-১২, ২১-৫। ফলাফল দেখেই পরিষ্কার এদিন সারা ম্যাচে স্প্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বীর গতির সঙ্গে পেরে উঠতে ব্যর্থ সিন্ধু।

অথচ একটিও গেম না হেরে অগাস্ট ২০১৯ পর প্রথম কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছেছিলেন সিন্ধু। শুরু থেকেই এদিন কোর্টে দাপট দেখাতে থাকেন জানুয়ারিতে থাইল্যান্ডে জোড়া সুপার ১০০০ টুর্নামেন্ট বিজয়ী মারিন। প্রথম গেমের বিরতি অবধি তবু কিছুটা লড়েছিলেন সিন্ধু। ১১-৮ এগিয়ে থেকে প্রথম গেমের বিরতিতে যান মারিন। এরপর একতরফা খেলে ম্যাচে জয় তুলে নেন বিশ্বের তিন নম্বর। বিরতির পর প্রথম গেমে মাত্র চারটি পয়েন্ট কুড়িয়ে নিতে সক্ষম হন ভারতীয় শাটলার।

দ্বিতীয় গেমে ২-৮ পিছিয়ে পড়ে সিন্ধু র‍্যাকেট বদলালেও ম্যাচে তাঁর ভাগ্য বদলায়নি। ১১-২ এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় গেমের বিরতিতে যান মারিন। অর্থাৎ, দ্বিতীয় গেমে স্প্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বীর সামনে হায়দরাবাদি শাটলারকে রীতিমতো অসহায় দেখাচ্ছিল। শেষ অবধি ১৫টি ম্যাচ পয়েন্ট হাতে নিয়ে দ্বিতীয় গেম ২১-৫ ব্যবধানে জিতে নেন মারিন। একইসঙ্গে ম্যাচও মুঠোয় পুরে নেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ একই ভেন্যুতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের শিরোপা পাওয়া সিন্ধুকে ঘিরে এদিন প্রত্যাশা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু সেই প্রত্যাশার বিন্দুমাত্র দাম দিতে এদিন ব্যর্থ হন অলিম্পিকে রুপোজয়ী ভারতীয় শাটলার। আগামী ১৭-২১ মার্চ অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে ফের কোর্টে নামবেন সিন্ধু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।