নিউ ইয়র্ক: সিরিয়ার মানুষই একমাত্র ঠিক করবেন সিরিয়ার ভবিষ্যৎ কী হবে। আসাদকে ছুঁড়ে ফেললে সিরিয়ারও সেই দশা হবে যা হয়েছে ইরাকের। রবিবার রাষ্ট্রসংঘে এ কধা বললেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর দাবি, সিরিয়ার জঙ্গিদের প্রতি মার্কিন সমর্থন অবৈধ এবং অযৌক্তিক। সন্ত্রাসবাদীদের প্রতি মার্কিন সমর্থনের নিন্দাও জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, “আমার মতে অবৈধ কোনও শক্তিকে সামরিক সমর্থন দেওয়ার অর্থ আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রসংঘের নিয়মের লঙ্ঘন করা।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে বৈঠকের আগে রুশ প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন। আগামী সোমবার মুখোমুখি হবেন ওবামা ও পুতিন।

মুখোমুখি হচ্ছেন ওবামা-পুতিন

পুতিন স্পষ্ট করে দেন, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আল-আসাদ যেহেতু সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, তাই তিনি আন্তর্জাতিক সমর্থন পাওয়ার অধিকার রাখেন। পুতিন আরও বলেন, “আসাদের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন রাষ্ট্রসংঘ নিয়ম মেনেই, কারণ আমরা শুধুমাত্র সিরিয়ার বৈধ সরকারকে সমর্থন করছি।” পুতিন বলেন, সিরিয়া সরকারকে অস্ত্র সরবরাহ, সামরিক সদস্যদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণ এবং জনগণের জন্য ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে মস্কো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।