স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: নোয়াপাড়া উপনির্বাচনে মঞ্জু বসুকে প্রার্থী করা ভুল সিদ্ধান্ত বলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন মুকুল রায়৷ উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির গোশালার ময়দানে রাজ্য বিজেপির জনজাগরণ যাত্রার জনসভায় দাঁড়িয়ে এই প্রথম প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুকুল রায়৷

এদিনের এই জনসভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুকুল রায় বলেন, ‘‘প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে একটা বিভ্রাট হয়েছে৷ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে এই ঘটনার দায় বা দায়িত্ব আমাকে নিতে হবে৷ কিন্তু আমি দুই বা তিন হতে চাই না৷ আমার মধ্যে একটা জেতার উদগ্র বাসনা আছে৷ সেই বাসনা থেকেই মঞ্জু বসুর সঙ্গে কথা হয়েছিল৷ যে মানুষটা বলেছিল শহীদ বিকাশ বসুর হত্যাকারীদের শাস্তি চাই, যে মানুষটা বলেছিল, এই আমি চরম অপমানিত এবং লাঞ্ছিত হয়েছি তার প্রতিবাদ চাই৷ আমার বুঝতে ভুল হয়েছিল আজকে গণতন্ত্র এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে তার উপর অসম্ভব মানসিক চাপ তৈরি করা হয়েছে, সেই চাপ নেওয়ার মতো ক্ষমতা তার ছিল না৷ এটা বুঝতে আমার ভুল হয়েছিল৷ এইজন্য আমি দলের কাছে ক্ষমা প্রার্থী৷’’

এদিন সন্ধ্যায় রাগঢাক না করে অনুব্রতকে কটাক্ষ করে মুকুল বলেন, ‘‘অনুব্রত দুদিন আগে আমার শ্রাদ্ধ শান্তি করে ফেলেছে৷ ওঁর কথা ধরলে আমার পুনর্জন্ম হয়েছে৷ আজকে আমার দুদিন বয়স৷ তবেই বুঝুন আরও কত বছর আমি ওদের জ্বালাবো৷’’

মুকুল রায়ের পর বলতে ওঠেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ এদিনের জনসভা মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ‘‘শুধু একটা রাজনৈতিক দল মিটিং মিছিল করবে আর অন্য বিরোধীদলকে কোন মিটিং মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হবে না, এটা গণতন্ত্রে চলতে পারে না৷ আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ছিলাম৷ আদালত প্রত্যেক বারের মতো এবারও মমতা ও তার সরকারের গালে থাপ্পড় মেরেছে এবং আমাদের সভা করার অনুমতি মিলেছে৷ উনি ভোটের জন্য বাঙালি সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলছেন৷ আসাম থেকে কোন একজন বাঙালিকেও তাড়িয়ে দেওয়া হয়নি৷ উনি অসত্য একটা বক্তব্য রেখে দিলেন৷ এভাবেই উনি পাহাড়ে বাঙালি নেপালি এবং এখন বাঙালি অসমীয়াদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছেন৷ বাংলার মানুষ উনার অসত্য বক্তব্য আর বিশ্বাস করছে না৷’’ পানিহাটির এই জনসভায় হাজার দুয়েক বিজেপি কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিল বলে দলীয় সূত্রে খবর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.