স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: সরিয়ে দেওয়া দল পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক স্মিতা পাণ্ডেকে৷ তাঁকে নিয়োগ করা হল ওয়েবেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। নতুন জেলাশাসক হলেন পূর্ণেন্দু মাজি। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কর্পোরেশনের সচিব পদে ছিলেন পূর্ণেন্দুবাবু। সেইসঙ্গে, পুরুলিয়ার জেলাশাসক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কে কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হয়েছে।

শপথগ্রহণের পরই নবান্নে প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়য তার পরই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশসক স্মিতা পান্ডেকে অপসারনের নির্দেশ দেয় নবান্ন। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক হিসেবে ইতিমধ্যেই বিজেপির প্রতি বাড়তি পক্ষপাতিত্ব দেখানোর অভিযোগ উঠেছে স্মিতা পাণ্ডের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই তাঁকে সরতে হল বল মনে করা হচ্ছে৷ শুধু তাই নয়, ভোটের সময়ে যে সব জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সহ প্রশাসন-পুলিশ আধিকারিকরা বিজেপিকে পরোক্ষে মদত দিয়েছিলেন সেই সব আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার পথে হাঁটা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন: সরিয়ে দেওয়া দল পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে

এদিকে, পুরুলিয়ার জেলাশাসক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কে কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হয়েছে। বদলে ওই পদে পুনর্বহাল করা হয় মুখ্যমন্ত্রীর আস্থাভাজন রাহুল মজুমদারকে। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ভোটের মুখে ডিজি-কে বদলের আগে এডিজি আইন-শৃঙ্খলা জাভেদ শামিমকে পদ থেকে সরানো হয়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় সি জগমোহনকে।মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই পুরানো ডিজি ও এডিজি-কে ফেরানো হল তাঁদের পদে। এদিন রাজ্য পুলিশের ডিজি ও এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে রদবদলের পাশাপাশি কমিশনের নির্দেশে যাঁরা পুলিশের বিভিন্ন শীর্ষ পদে আসীন হয়েছিলেন তাঁদের বদলেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সূত্রে খবর,  পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার ও বীরভূমের পুলিশ সুপারের পদে বসা সুনীল যাদব, দেবাশিস ধর ও নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকেও সরানো হচ্ছে। তিনজনকেই কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে আর এক ‘বিজেপি ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে পরিচিত এডিজি (পশ্চিমাঞ্চল) রাজেশ কুমারকেও গুরুত্বহীন পদে বদলি করা হবে।

এদিকে, রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার ব্যাপারে শপথ গ্রহণের পরই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সব রাজনৈতিক দলকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গত তিন মাস আইন-শৃঙ্খলার ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের হাতে ছিল। আমি শপথ নিয়েছি। রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.