নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে লালকেল্লা-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় কৃষকদের তুমুল বিক্ষোভের জেরে উত্তেজনা ছড়ায়। কৃষক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের আকার নেয় রাজধানীর বিস্তীর্ণ এলাকা। কৃষকদের তুমুল বিক্ষোভের জেরে গোটা রাজধানীর আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি শিকেয় ওঠে।

তবে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা গুরনাম সিং চাঁদুনির অভিযোগ, কৃষকদের উসকানি দিয়েছিলেন পঞ্জাবি গায়ক-অভিনেতা দীপ সিধু। সিধুর উসকানির জেরেই কৃষকরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে দাবি তাঁর।

মঙ্গলবার কৃষক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের আকার নেয় রাজধানী দিল্লি। প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষক বিক্ষোভের আঁচ লাগে লালকেল্লাতেও। লালকেল্লার ভিতরে ঢুকে পড়ে পতাকা ওড়ান কৃষকরা।

দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে দফায়-দফায় সংঘর্ষ চলে। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে এক কৃষকের। খণ্ডযুদ্ধ চলাকালীন ট্র্যাক্টরটি উল্টে ওই কৃষকদের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, হাজার-হাজার বিদ্রোহী কৃষক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দিল্লির বিভিন্ন অংশে ও সংলগ্ন এলাকায় সাময়িক ভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তবে কৃষকদের অভিযোগ, দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে ঢোকার মুখে আন্দোলনকারীদের বাঁধা দিতে গুলি চালায় পুলিশ। গুলি লেগেই ট্রাক্টরটি উল্টে যায়। ট্রাক্টরের নীচে চাপা পড়েই মৃত্যু হয় ওই কৃষকের। পুলিশ সিঙ্ঘু, তিকরি এবং ঘাজিপুর সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকদের নির্দিষ্ট রুট ধরে ট্রাক্টর ব়্যালি করার অনুমতি দিলেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।

এদিকে, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা গুরনাম সিং চাঁদুনির অভিযোগ, উসকানির জেরেই লালকেল্লায় ধর্মীয় পতাকা তোলেন কৃষকরা। দীপ সিধুই আন্দোলনকারী কৃষকদের লালকেল্লায় নিয়ে গিয়েছিলেন। আগে থেকে লালকেল্লায় যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা ছিল না।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।