মুম্বই: মরুশহরে গত মরশুমে যেখানে শেষ করেছিলেন, চতুর্দশ আইপিএলে যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন কেএল রাহুল। সাড়ে ছ’শোরও বেশি রান করে গত মরশুমে অরেঞ্জ ক্যাপের বিজেতা পঞ্জাব অধিনায়কের ব্যাট ঝলসে উঠল চতুর্দশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই। সঙ্গে দীপক হুডার ধুন্ধুমার ব্যাটিং’য়ে ১৪তম আইপিএলের প্রথম ম্যাচে রানের পাহাড়ে চড়ল প্রীতি জিন্টার দল। জয়ের জন্য রাজস্থান রয়্যালসের সামনে ২২২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখল পঞ্জাব কিংস।

টস জিতে পঞ্জাব কিংসকে এদিন ব্যাটিং’য়ে আমন্ত্রণ জানান রয়্যালসদের নয়া অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। শুরু থেকেই রয়্যালস বোলারদের উপর চেপে বসেন পঞ্জাব ব্যাটসম্যানরা। ময়াঙ্ক আগরওয়াল ৯ বলে ১৪ রান করে ফিরলেও দ্বিতীয় উইকেট পার্টনারশিপে ক্রিজে ঝড় তোলেন রাহুল-গেইল জুটি। দুই’য়ের ৭৭ রানের জুটিতে ৪০ রানের অবদান রাখেন গেইল। জামাইকানের ২৮ বলের ইনিংস সাজানো ছিল ৪টি চার ২টি ছয়ে। প্রথম ছক্কার সঙ্গে আইপিএলে এদিন ৩৫০ ছক্কা হাঁকানোর মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলেন গেইল।

অন্যদিকে ব্যাট হাতে গত মরশুমে মরুশহরের স্মৃতি উসকে দিতে থাকেন রাহুল। তৃতীয় উইকেটে হুডার সঙ্গে জুটি বেঁধে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন পঞ্জাব অধিনায়ক। পুরানকে সরিয়ে ব্যাটিং-অর্ডারে উপরে উঠে এসে ৪টি চার এবং ৬টি বিশাল ছয়ে মাত্র ২৮ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন হুডা। তাঁর অর্ধশতরান আসে ২০ বলে। রাহুলের সঙ্গে হুডার জুটিতে ৪৬ বলে ওঠে ১০৫ রান। এই দুই ব্যাটসম্যানের সামনে রীতিমতো অসহায় দেখাচ্ছিল রয়্যালস বোলারদের। হুডা ৬৪ রানে আউট হলেও থামানো যাচ্ছিল না পঞ্জাব অধিনায়ক রাহুলকে।

অর্ধশতরান পূর্ণ করার পর আরও বিস্ফোরক রাহুল শতরানের দিকে ভালোই এগোচ্ছিলেন। কিন্তু অন্তিম ওভারে চেতন সাকারিয়ার ডেলিভারিতে রাহুল তেওয়াটির দুরন্ত ক্যাচে শতরান হাতছাড়া করেন তিনি। ৫০ বলে তাঁর ৯১ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি চার এবং ৫টি ছয়। মূলত রাহুল-হুডার ব্যাটেই রানের পাহাড়ে চড়ে বসে পঞ্জাব। শেষ অবধি ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২২১ রান স্কোরবোর্ডে তোলে পঞ্জাব। শেষদিকে শাহরুখ খান ব্যাটে নামলেও ৪ বলের বেশি খেলার সুযোগ পাননি তিনি। ৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

রাজস্থানের হয়ে বল হাতে নজর কাড়েন চেতন সাকারিয়া। ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন এই তরুণ বোলার। সঙ্গে নিকোলাস পুরানকে দুরন্ত ক্যাচে ডাগ-আউটে ফেরান গত মরশুমে আরসিবির এই নেট বোলার। সবমিলিয়ে প্রথম ম্যাচে জয় পেতে গেলে রেকর্ড রান তাড়া করতে হবে রয়্যালসকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.