চণ্ডীগড়: অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের কালোবাজারি রুখতে এবার নয়া ব্যবস্থা আনল পঞ্জাব পুলিশ। আপাতত রাজ্যের ৩৪টি এলাকায় নজরদারি চালাবে পুলিশের এই বিশেষ ড্রোন। কোথাও অত্যাবশ্যকীয় পণ্যসামগ্রীর বেআইনি মজুত ও কালোবাজারির চেষ্টা হলেই ড্রোন মারফত খবর যাবে পুলিশের কাছে। ড্রোন থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবে পুলিশ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ রয়েছে একাধিক সরকারি-বেসরকারি অফিস, বন্ধ গণপরিবহণ মাধ্যম। দিনের নির্দিষ্ট সময় ছাড়া বন্ধ থাকছে দোকান-বাজারও। এই অবস্থার সুযোগ নিয়েই একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের কালোবাজারি করছেন বলে অভিযোগ উঠছে। একইসঙ্গে বেআইনিভাবে একসঙ্গে বিপুল পণ্য মজুত করে রেখে পরে তা চড়া দামে বিক্রিরও অভিযোগ উঠছে।

একশ্রেণির ব্যবসায়ীর এই আচরণে লকডাউনের সময়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে গিয়ে বাধ্য হয়েই অনেককে চড়া দাম গুণতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গত কয়েকদিনে এমনই ভুরি-ভুরি অভিযোগ এসেছে পুলিশের কাছে। বহু ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ না থাকাতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারেনি পুলিশ।

পঞ্জাব পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর কালোবাজারি রুখতে এবার ড্রোনে নজরদারি চালানো হবে। পঞ্জাবের মোহালি, সংগ্রুর, ফজিলকা, হোশিয়ারপুর, এসবিএস নগর, বরনালা, জলন্ধরের গ্রামীণ এলাকা, মোগা, রোপার ও ফতেহগড় সাহিব-সহ মোট ৩৪টি এলাকায় নজরদারি চালাবে পুলিশের ওই বিশেষ ড্রোন।