কলকাতা: রঞ্জি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লক্ষ্যে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে সাত পয়েন্টই লক্ষ্য ছিল বাংলার৷ ম্যাচের আগের দিন এমনটাই জানিয়েছিলেন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি৷ কিন্তু দ্বিতীয় দিনের শেষে সাত পয়েন্টের ভাবনা পঞ্জাব শিবিরে৷

বাংলার ১৮৭ রানের জবাবে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের শেষে সাত উইকেটে ৩৫৭ রান তুলেছে পঞ্জাব৷ অর্থাৎ ইতিমধ্যেই ১৭০ রানের লিড পঞ্জাবের৷ হাতে রয়েছে তিন উইকেট৷ যুবরাজ সিং ব্যর্থ হলেও আনমলপ্রীতের অপরাজিত সেঞ্চুরি এবং শুভমন গিলের দুরন্ত ৯১ রানের জবাবে ম্যাচে জাঁকিয়ে বসেছে পঞ্জাব৷ সল্টলেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মাঠে ম্যাচের প্রথম দিন পঞ্জাব স্পিনারদের সামনে আত্মসমর্পণ করে বাংলার ব্যাটসম্যানরা কিন্তু সেই পিচে দ্বিতীয় দিন পঞ্জাবের মাত্র পাঁচটি উইকেট তুলতে সক্ষম মনোজ তিওয়ারির দল৷

৪৭ রানে দু’উইকেট নিয়ে খেলা শুরু করে এদিন পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৩১০ রান যোগ করে পঞ্জাব৷ ১২৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দিনের শেষে ক্রিজে রয়েছেন আনমলপ্রীত৷ ১৮৮ রানের ইনিংসে ১৩টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারি মারেন তিনি৷ তবে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া স্বপ্নের ফর্মে থাকা শুভমনের৷ ৯১ রানে আইপিএলে নাইট ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে ফেরান মুকেশ কুমার৷ ক্যাপ্টেন মনদীপ সিংয়ের সংগ্রহ ৪৪৷ তবে মাত্র এক রানে যুবরাজকে প্যাভিলিয়নে ফেরান বাঁ-হাতি স্পিনার প্রদীপ্ত প্রামানিক৷ বাংলার এই তরুণ স্পিনারের বলে বোল্ড হন যুবি৷

বাংলার বোলারদের মধ্যে সফল মুকেশ ও প্রদীপ্ত৷ ডানহাতি পেসার মুকেশ কুমার ৮৯ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন৷ আর ১০০ রান খরচ করে তিনটি উইকেট নিয়েছেন প্রদীপ্ত৷ তবে বাংলার অন্য স্পিনর আমির গনি ১৮ ওভার হাত ঘুরিয়েও কোনও উইকেট পাননি৷

আগের ম্যাচে ইডেনে দিল্লিকে নক-আউট করে নক-আউটের আশা জিইয়ে রাখে বাংলা৷ কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালের দৌড়ে থাকতে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে জয় ছাড়া অন্য কোনও হিসেব মিলবে না বাংলার৷ শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে থাকার জন্য পঞ্জাবকেও বাংলার বিরুদ্ধে পেতে হবে অন্তত ৬ পয়েন্ট৷ সেই লক্ষ্যে অবশ্য দ্বিতীয় দিনের শেষে অনেকটাই এগিয়ে পঞ্জাব৷