চণ্ডীগড়: কেরালার পথেই এবার পঞ্জাব সরকার। বিধানসভায় নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব পেশ ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সরকারের। কংগ্রেস সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন এনডিএ শরিক শিরোমণি অকালি দলেরও।

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কেন্দ্রের অস্বস্তি বেড়েই চলেছে। কেরলের বাম সরকারের পর এবার পঞ্জাবের কংগ্রেস সরকার। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় বিধানসভায় প্রস্তাব আনল পঞ্জাব সরকার। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দেশের প্রায় সর্বত্র চলছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। বিজেপি-বিরোধী প্রায় সব দল পথে নেমে আন্দোলনে সামিল। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ওই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পিনারাই বিজয়ন। কেরলের বাম সরকার ইতিমধ্যেই বিধানসভায় নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব পাশ করিয়েছে। কেরলের পাশাপাশি এবার একই পথে হাঁটল কংগ্রেস শাসিত পঞ্জাব।

শুক্রবার বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পেশ করে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সরকার। পাঞ্জাব বিধানসভায় দু’দিনের বিশেষ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পেশ করেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রহ্ম মহিন্দ্রা। নাগরিকত্ব আইনের পাশাপাশি এনআরসি ও এনপিআর নিয়েও একইভাবে কেন্দ্র-বিরোধিতায় সরব পঞ্জাব সরকার। এদিকে, এনডিএ-র জোটসঙ্গী হলেও নাগরিকত্ব আইন ইস্যুতে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছে শিরোমণি অকালি দল। বিধানসভায় অমরিন্দর সিংয়ের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে তারা। যদিও সংসদে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের পক্ষেই ভোট দিয়েছিলেন শিরোমণি অকালি দলের সাংসদরা।

শুক্রবার পঞ্জাব বিধানসভায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব পেশ করে মন্ত্রী ব্রহ্ম মহিন্দ্রা বলেন, ‘নয়া নাগরিকত্ব আইন ঘিরে দেশজুড়ে ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দেশের সর্বত্রই বিক্ষোভ-আন্দোলন চলছে। পঞ্জাবেও নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে।’

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে কেরলের পর এবার পঞ্জাবও একই পথে হাঁটায় মোদী সরকারের অস্বস্তি আরও বাড়ল বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের।