চন্ডীগড়: মোদী সরকারের আনা কৃষি বিলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পাল্টা আইনের পথে পাঞ্জাব। মঙ্গলবার পাঞ্জাব বিধানসভায় ৪টি বিল এবং একটি প্রস্তাব পেশ করেছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় আইন গুলির বিপরীত মুখী পাঞ্জাবের বিলগুলি। এই বিলে বলা হচ্ছে, রাজ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের কমে ফসল কেনাবেচা করা যাবে না। এই সংক্রান্ত কেউ আইন ভাঙলে কমপক্ষে তিন বছর জেল ও জরিমানা হতে পারে।

তাছাড়া পাঞ্জাবের কৃষি পণ্যের মজুদ ও কালোবাজারি করা চলবে না। গরীব কৃষকদের জমি রক্ষা সংস্থান রাখতে চাওয়া হয়েছে পাঞ্জাবে। এদিন এই বিলগুলি নিয়ে ঘন্টা চারেক আলোচনার পর সবকটি বিল বিধানসভায় পাস হয়।

শাসক কংগ্রেসের পাশাপাশি আম আদমি পার্টি এবং সদ্য এনডিএ ছেড়ে আসা শিরোমনি অকালি দল এবং লোক ইনসাফ বিধায়করা বিলগুলি সমর্থন জানান। অন্যদিকে কৃষক অসন্তোষ আঁচ করে এদিন বিধানসভায় অনুপস্থিত ছিলেন বিজেপি দুই বিধায়ক।

এদিকে পাঞ্জাব বিধানসভায় এইসব কৃষি বিল পাস হলেও তাতে রাজ্যপাল ভিপি সিং বাদনো আদৌ সই করবেন কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছে। তবে রাজ্যপালের উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং আপ এবং শিরোমনি অকালি দলের বিধায়কদের নিয়ে রাজভবন যান।

সেখানে প্রায় মিনিট কুড়ি রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠক সেরে বেরিয়ে আসার সময় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি আশা করছেন রাজ্যপাল পাঞ্জাবের মানুষের কথা শুনবেন এবং বিলে সই দেবেন।

এদিকে যদি রাজ্যপাল তা স্বাক্ষর না করেন তাহলে বিলগুলি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর। এজন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ২-৫ নভেম্বর কোন একদিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে পারেন। সেক্ষেত্রেও সব দলের বিধায়কদের নিয়ে গিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন জানানো হতে পারে।

এদিন রাজ্য বিধানসভায় তিনটি বিল পেশ করেন। অন্যদিকে আরেকটি বিলটি পেশ করেন অর্থমন্ত্রী মনপ্রীত সিং বাদল। তাছাড়া একই সঙ্গে একটি প্রস্তাবে ভারত সরকারের নতুন তিনটি কৃষি আইন অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।