চণ্ডীগড়: করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেই। দেশ জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং শুক্রবার জানিয়েছেন পয়লা জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে জারি থাকবে নাইট কার্ফু। এই প্রেক্ষিতে একটি সরকারি বিবৃতিও জারি করা হয়েছে।

এর আগে ১৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি রাখার কথা জানানো হয়েছিল। রাজ্যে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হওয়ার পর রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি রাখার কথা জানানো হয়েছিল। তবে একাধিকবার রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে করোনা নিষেধাজ্ঞা ভাঙার অভিযোগ আসার পরেই কড়া সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। রাজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ দিনকর গুপ্তা জানিয়ে দেন রাজ্যের কোথাও করোনা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

তিনি জানান ইনডোর অনুষ্ঠানে ১০০ জন ও আউটডোর অনুষ্ঠানে ২৫০ জন নিয়ে জমায়েত করা যাবে। তার বেশি লোককে নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। স্বাস্থ্য দফতরকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে যাতে টানা নজরদারি চালানো যায়, তার ব্যবস্থা করতে হবে। চণ্ডীগড়ে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে, পুণের সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদার পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, হয়তো এই মাসের শেষের দিকে টিকা দেওয়ার লাইসেন্স মিলবে, সেক্ষেত্রে টিকা দেওয়ায় আর কোনও বাধাই থাকবে না।

করোনা ভ্যাকসিনের জন্য খুব সম্ভবত, কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করতে চলেছে পুণের সিরাম ইনস্টিটিউট। সেক্ষেত্রে টিকার প্রতি ডোজের দাম হবে ২৫০ টাকা। আদার পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, বড় অংশের মানুষকে টিকা দেওয়া অনেক সময়সাপেক্ষ। তবে সূত্রের খবর, আপাতত ৬০ লক্ষ মানুষকে এই টিকা দেওয়া হবে।

এর মধ্যে রিপোর্ট মোতাবেক শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হলেন আরও ৩০,০০৫ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৪২ জনের। নতুন করে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় আগের চেয়ে বেড়ে গেল মোট সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা। শনিবার সকালে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট সংক্রমণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৭৫। অন্যদিকে মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৬২৮।

মোট সংক্রমণের মধ্যে অবশ্য সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৩২৮ জন। শেষ ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছে ৩৩ হাজার ৪৯৪ জন। দেশে এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮১৯ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।