ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত৷

চন্ডীগড়: আরও এক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ খালি হল৷ এবার পদ ছাড়তে চাইলেন পঞ্জাবের সুনীল ঝাখর৷ যিনি এবারের লোকসভা ভোটে বিজেপির তারকা প্রার্থী সানি দেওলের কাছে হেরে যান৷ তারপরেই কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত৷ সূত্রের খবর, দলকে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন৷ তবে সেটি গৃহীত হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি৷ সুনীল ছাড়াও রাজ্যের কংগ্রেস ইন-চার্জ আশা কুমারীও পদত্যাগ করেন৷

নৈতিক দায় স্বীকার করে সুনীল কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছেন৷ কারণ হিসাবে তিনি জানান, নিজে তো হেরেছেন, দলকেও আশানুরূপ আসনে জয় এনে দিতে পারেননি৷ উল্লেখ্য, গোটা দেশের মধ্যে কেরলের পর পঞ্জাব একমাত্র রাজ্য যেখানে কংগ্রেসের ফল ভালো হয়েছে৷ রাজ্যের ১৩টি আসনের মধ্যে ৮টিতে জয়ী হয়েছে রাহুলের দল৷ বিজেপি ও অকালি দল দুটি করে আসনে জয়ী হয়৷ একটি আসন পায় আপ৷

দলকে আটটি আসনে জয় এনে দিলেও সুনীল নিজে ৭৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে যান সানি দেওলের কাছে৷ এই পরাজয়ের জন্য কাউকে দায়ী না করেই সুনীল জানান, সকলের কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছেন৷ তাস্বত্ত্বেও এই পরিস্থিতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়৷

একে একে সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাইছেন কংগ্রেস নেতারা৷ এদিন সকালে ইস্তফা দেন ঝাড়খণ্ড প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রধান অজয় রায়৷ তার আগে উত্তরপ্রদেশে থেকে রাজ বব্বর, ওডিশার নিরাঞ্জন পট্টনায়েক, মহারাষ্ট্রের অশোক চবন তাদের পদত্যাগপত্র রাহুল গান্ধীর কাছে পাঠিয়ে দেন৷ রাহুল নিজেও সভাপতির পদ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু ওর্য়াকিং কমিটির নেতারা সমস্বরে রাহুলের সেই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে৷