পুনে : মহারাষ্ট্রে ক্রমশ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। আতঙ্কে পুনে। এই পরিস্থিতিতে পুনে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৪ই মার্চ (night curfew till March 14) পর্যন্ত জারি থাকবে নাইট কার্ফু (Pune extends night curfew)। রবিবার পুনে প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন স্কুলও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নাইট কার্ফুর নিয়মের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবাকে।

পুনের মেয়র জানিয়েছেন ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নাইট কার্ফু চালু থাকলেও, তার সময় সীমা বাড়ানো হয়েছে। স্কুল, কলেজ, শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Schools to remain shut)। রাত এগারোটা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সব রকম গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন ক্যাবিনেট সেক্রেটারি রাজীব গৌবা। শনিবার এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব, গুজরাট, মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের প্রতিনিধিরা। করোনার সংক্রমণ আটকানোর কৌশল নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়।

গত সপ্তাহে এই রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে করোনার প্রকোপ বেড়েছে। এদিন বৈঠকে ক্যাবিনেট সেক্রেটারি রাজ্যগুলিকে বলেন, এই সংক্রমণ আটকানোর জন্য কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। গত বছর যৌথ পরিশ্রমের লাভকে নষ্ট করা উচিত নয় বলেও জানান তিনি। এর জন্য কঠোরভাবে করোনা বিধি পালন করার কথাও বলেন তিনি। এর সাহায্যেই সংক্রমণ আটকানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি বহু পরিমাণে পরীক্ষা ও ট্রাকিংয়ের প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

মহারাষ্ট্রে এখন করোনা সংক্রমিত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ লক্ষ ২৯ হাজার ৮২১ জন। যে ১০টি রাজ্য থেকে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের খবর মিলেছে তার মধ্যে রয়েছে কেরল, কর্ণাটক, অন্ধ্র প্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও রাজস্থান। ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেওয়া হয়েছে উত্তর প্রদেশকে। এর পর রয়েছে যথাক্রমে মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক, মধ্য প্রদেশ, বিহার, অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।