নয়াদিল্লি: ভারতীয় ক্রিকেট দলের কিট স্পনসর হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করল জার্মানির ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক সংস্থা পুমা। শুধু আগ্রহ প্রকাশ করাই নয়, ইতিমধ্যেই বিরাটদের কিট স্পনসর হওয়ার জন্য দরপত্রও কিনেছে তারা। সবমিলিয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের নয়া কিট স্পনসর হওয়ার দৌড়ে অগ্রভাগে তারাই।

তবে এই দৌড়ে যে পুমার প্রতিদ্বন্দ্বী নেই এমনটা ভাবলে ভুল হবে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের কিট স্পনসর হতে আসরে নেমেছে অ্যাডিডাসও। উল্লেখ্য, ২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত ৪০০ কোটির চুক্তিতে ভারতীয় দলের কিট স্পনসর হিসেবে নিযুক্ত ছিল নাইকি। কিন্তু তুলনায় কম আর্থিক চুক্তিতে বিসিসিআই যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিটিকে চুক্তি পুনর্নবীকরনের প্রস্তাব দিলে নাইকি তাতে রাজি হয়নি। আর নাইকি রাজি না হওয়ার কারণেই নতুন করে ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে দরপত্র ঘোষণা করে বিসিসিআই।

নাইকি নতুন করে দরপত্র তুলবে কীনা জানা নেই, তবে বিসিসিআই’য়ের এক সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘আমি এটুকু নিশ্চিত বলতে পারি যে পুমা ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আইটিটি ডকুমেন্ট কিনেছে।

কিন্তু বিড ডকুমেন্ট কেনা মানেই এমন নয় যে তারা বিড করছে। তবে পুমা বিড পেপার জমা দিয়ে এটা বুঝিয়ে দিয়েছে তারা ভীষণভাবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে যুক্ত হতে ইচ্ছুক।’ ওই আধিকারিক বলেছেন, অ্যাডিডাস এই বিডে অংশ নিতে আগ্রহী তবে স্পনসরশিপ বিডিং কবে হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

উল্লেখ্য, ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি স্বয়ং জার্মান কিট প্রস্তুতকারক সংস্থার একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। তালিকায় রয়েছেন কেএল রাহুলও। বিগত কয়েকবছর ধরেই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ আইপিএলের মধ্যে দিয়ে ভারতের বাজার ধরার চেষ্টায় পুমা। তাই এক্ষেত্রে ভারত অধিনায়কের ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্টকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ এক অংশ হওয়ার সুযোগ তারা সহজে হাতছাড়া করবে না। নতুন বিডে বিসিসিআই প্রত্যেক ম্যাচে স্পনসরশিপ বাবদ বেস প্রাইস রেখেছে ৬১ লক্ষ টাকা। গত সাইকেলে যেটা ছিল ৮৮ লক্ষ টাকা প্রতি ম্যাচ।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও