নয়াদিল্লি : বড়সড় নাশকতা এড়াল কাশ্মীর। ফের পুলওয়ামা ধাঁচের নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। কিন্তু ভারতীয় সেনার কড়া নজরদারির জেরে সেই ছক ব্যর্থ হল। তবে জম্মু কাশ্মীর হাইওয়ে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫২ কেজি বিস্ফোরক।

যে এলাকায় ২০১৯ সালের হামলা চলে, যে হামলায় ৪০ জন জওয়ান মারা যান, সেই ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে এই বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর।

সেনা এই প্রেক্ষিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। জানানো হয়েছে বৃহস্পতিবার সারা দিন যৌথ বাহিনী তল্লাশি চালায়। গাড়িকল এলাকার কারেওয়া অঞ্চলে তল্লাশি চলে। উদ্ধার করা হয় একটি সিনটেক্সের জলের ট্যাঙ্ক। এটি মাটিতে পোঁতা ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশি চালায় যৌথ বাহিনী।

৫২ কেজির বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় ওই জলের ট্যাঙ্ক থেকে। মোট ৪১৬টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে, যার প্রতিটির মধ্যে ১২৫ গ্রাম করে বিস্ফোরক ছিল। পরে আপেকটি জলের ট্যাঙ্ক থেকে ৫০টি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়। এই বিস্ফোরকগুলি সুপার ৯০ নামে পরিচিত। যেখান থেকে এই বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে, সেটি হাইওয়ের থেকে খুব কাছে এবং পুলওয়ামা হামলার স্থল থেকে মাত্র ৯কিমি দূরে।

গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ৪০ জন জওয়ান ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় শহিদ হন। অগাষ্ট মাসেই এই ঘটনার প্রেক্ষিতে চার্জশিট পেশ করে এনআইএ। এনআইয়ের তদন্ত অনুসারে, এই হামলা পুরোটাই জইশ নেতাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ষড়যন্ত্রকারীদের তালিকায় মাসুদ আজাহার, রউফ আসগরের-সহ প্রায় ২০ জনের নামে আছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হল আদিল আহমেদ দার, সাকির বসির মারগ্রে, মহম্মদ ইকবাল, বিলাল আহমেদ কুচে, ওমর ফারুক। এরা ছাড়াও লস্করের কয়েকজন স্থানীয় কর্মীর নাম থাকছে চার্জশিটে।

জানা যায়, সেনা কনভয়ে আদিল আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিল। জইশের কম্যান্ডার ওমর ফারুক উপর পুরো হামলার তত্ত্বাবধানে ছিল। বিস্ফোরক পাকিস্তান থেকে আনানোর ব্যবস্থাও সেই করেছিল। কাশ্মীরেই বসবাস করত সে। ঘটনার মাসখানেক বাদে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে।

সাকির বসির মারগ্রে হামলাকারী গাড়িটির চালক। তবে ঘটনাস্থলের ঠিক ৫০০ মিটার আগে সে গাড়ি থেকে নেমে পালায়। এর বাড়িও কাশ্মীরে। চলতি বছরে গ্রেফতার হওয়া ইকবালের দায়িত্ব ছিল সীমান্ত থেকে জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আস্তানার ব্যবস্থা করা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।