শ্রীনগর: গত 14 ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় সহিদ হন ৪০ সিআরপিএফ জওয়ান৷ এই হামলার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে নাম উঠে এসেছে জইশ জঙ্গি মুদাসির আহমেদ খান ওরফে ‘Mohd Bhai’.

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২৩ বছর বয়সী এই মুদাসিরের গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী রয়েছে৷ সে ইলেকট্রিশিয়ানও৷ ত্রালের মীর মহল্লার বাসিন্দা মুদাসির ২০১৭ সালে জইশ জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেয় একজন ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার হিসেবে৷ পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি আদিল আহমেদ ধরের সঙ্গে মুদাসিরের যোগাযোগ ছিল৷

গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর খান ইলেকট্রিক্যাল কাজ শেখে৷ সে একবছরের ডিপ্লোমা কোর্স করে৷ ২০১৮ সালে সানজোয়ানে সেনা ক্যাম্পে জঙ্গি হামলাতেও সে যুক্ত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে৷

এদিকে, গতকালই ত্রালে সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াই চলছিল৷ ত্রালে সেনা জঙ্গি গুলির লড়াই৷ সেনা এনকাউন্টারে তিন জঙ্গি খতম হয় বলে জানা যায়৷ এরা সবাই পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য বলে জানা গিয়েছে৷ নিহত জঙ্গিদের মধ্যে পুলওয়ামা হামলার মাস্টার মাইন্ড মুদাসির আহমেদ খান রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷

ফাইল ছবি

মুদাসিরের বাড়ি কাশ্মীরের অবন্তিপোড়ায়৷ মৃত্যুর পর তার পরিবারের তরফে ছেলের দেহ পাওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।